‘মহুয়া’ বাণে বিদ্ধ রাজ‍্যপাল ‘আঙ্কেল’। নজরদারিতে গুজরাটের ‘বস’ সবার সেরা। উক্তি কৃষ্ণনগরের সাংসদের!

রাজ‍্য-রাজ‍্যপাল সংঘাতে ফের আসরে কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এবার হঠাৎই রাজ‍্যপাল জগদীপ ধনকড়কে ‘আঙ্কেলজি’ বলে খোঁচা দিলেন তিনি। এবার রাজ্যপালের রাজভবনে নজরদারির মন্তব‍্য নিয়ে পাল্টা দিলেন তৃণমূল সাংসদ । নিজের টুইটার হ‍্যান্ডেলে রাজ‍্যপালকে খোঁচা দিলেন মহুয়া।

https://twitter.com/MahuaMoitra/status/1294928697451884544?s=20

রাজভবনে স্বাধীনতা দিবসের চা -চক্রকে কেন্দ্র করে ঘটে ঘটনার সূত্রপাত। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী সেই অনুষ্ঠানে না আসায় বেজায় ক্ষুব্ধ হন জগদীপ ধনকড়। যথারীতি মুখ্যমন্ত্রীর এই আচরণের সমালোচনা করেন তিনি। বাংলার রাজ‍্যপালের কথায়, কোনওদিন কোনও রাজ্যে এই ঘটনা ঘটেনি। যেখানে রাজ্যপাল-এর স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তিনি আসেননি। এটা শুধু গণতন্ত্র বিরোধী নয়, এটা দেশের আইন ব‍্যবস্থাকেও অমান্য করা হয়। সব সময় কেন্দ্রীয় সরকারের এর সঙ্গে দন্দ্ব করলে গণতন্ত্র রক্ষা কীভাবে হবে। কেন্দ্রের সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রেখেই কাজ করতে হবে।

তবে এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। এর থেকেও বড় বাক‍্য বোমা বিস্ফোরণ করেন। রাজ‍্যপাল দাবি করেন, রাজভবনের ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। অনেক কথাই রাজ‍্য সরকারের কাছে চলে যাচ্ছে। যারা এই কাজ করছে,তাদেরকে শীঘ্রই খুঁজে বের করা হবে। যাদের নাম তদন্তে উঠে আসবে তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্য়বস্থা নেওয়া হবে। আর ধনকড়ের এহেন মন্তব্যেই জ্বলে উঠেছেন সাংসদ মহুয়া।

রাজ‍্যপালকে খোঁচা দিয়ে টুইটে মহুয়া মৈত্র বলেছেন, আঙ্কেলজি এখন বলছেন রাজভবন ও তাঁর উপরে নজরদারি করা হচ্ছে। ওই জিনিসটা আপনার গুজরাতের বস সকলের থেকে ভালো জানেন। আমরা এ কাজে নিতান্তই শিক্ষানবীশ। শনিবার স্বাধীনতা দিবসে পতাকা উত্তোলন নিয়ে রাজনৈতিক হিংসার তীব্র সমালোচনা করেন জগদীপ ধনকড়।

আরও অন্যান্য খবর