ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিভিন্ন কারণে দায়ভার চাপিয়েছেন বাম আমলের উপর। বাম জমানায় রাজ্যের পঞ্চায়েতগুলি ১০০ শতাংশ দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল৷ তৃণমূল সরকারের রাজ্যে আগমনে সেই দুর্নীতির ৯০ শতাংশই কমানো সম্ভব হয়েছে৷ আমফানে ক্ষতিপূরণ বিলি নিয়ে শাসক দল সহ রাজনৈতিক নেতাদের দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগে এমনই মন্তব্য করলেন পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এ দিন হাজরায় কলকাতা পুলিশের সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচির উদ্বোধনে এসে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পঞ্চায়েতে দুর্নীতি বাম আমলের অভ্যাস, সারতে সময় তো লাগবে৷’
ঘূর্ণিঝড় আমফানে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকারি আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে৷ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অভিযোগের তির শাসক দলের নেতাদের বিরুদ্ধে৷ এই দুর্নীতি সামনে আসার পরে তৃণমূল নেতাদের কেউ কেউ কান ধরে উঠবস করেছেন তো আবার কেউ জনতার হাতে উদুম মার খেয়েছেন।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে আবার বিরোধীদের হাতে থাকা পঞ্চায়েতগুলির বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ উঠেছে৷ একের পর এক অভিযোগ সামনে আসার পর বহু জায়গাতেই দলীয় নেতা এবং পঞ্চায়েত সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে শাসক দল৷ প্রশাসনিক স্তরেও অন্যায্য ভাবে যারা ক্ষতিপূরণ নিয়েছে, তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে৷
এই প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী এ দিন অভিযোগ করেন, আমফানের ক্ষতিপূরণ ও ত্রাণ বিলি নিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থেই অভিযোগ তুলছেন বিরোধীরা৷ মুখ্যমন্ত্রীর কথায় ‘সিপিএমের আমলে পঞ্চায়েতে ১০০ শতাংশ চুরি হতো৷ আমরা তো ৯০ শতাংশই আটকাতে পেরেছি৷ কারণ দুর্নীতির অভিযোগ পেলে আমি নিজের দলকেও ছাড়ি না৷ একবারে তো সব চোরকে উৎখাত করা সম্ভব নয়৷ মানুষের টাকা যাতে কেউ না নেয়, এটাই আমাদের নির্দেশ৷ অভিযোগ পেলেই পুলিশ এফআইআর করছে৷ কোথাও কোথাও হয়তো ৭-৮ শতাংশ আছে, সেটাও আস্তে আস্তে বন্ধ হয়ে যাবে৷ এই মেকানিজমটা সিপিএম ৩৪ বছর ধরে তৈরি করেছে৷ আর সেটা বন্ধ করতে আমি দিন রাত লড়াই করছি৷’






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার