বাংলার মুকুটে যোগ হল নয়া পালক! মোদী সরকারের দিকে আঙুল তুললেও মমতার ‘দুয়ারে সরকার’কেই দেশের সেরা প্রকল্পের ঘোষণা কেন্দ্রের

এই প্রকল্প নিয়ে এর আগে নানান প্রসঙ্গ উঠেছে। বিরোধীরাও এই কর্মসূচি নিয়ে কম কটাক্ষ করে নি। তবে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই সাধের ‘দুয়ারে সরকার’ প্রকল্পই মোদী সরকারের  বিচারে পেল সেরার সেরা তকমা। আজ, শনিবার নয়াদিল্লির বিজ্ঞান ভবনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে এই পুরস্কার গ্রহণ করলেন বাংলার অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

আজ, শনিবার ২০২২ সালের ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ পুরস্কারের ‘পাবলিক প্ল্যাটফর্ম’ বিভাগ থেকে মনোনীত হয়ে সেরা পুরস্কার পেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘দুয়ারে সরকার’ প্রকল্প। দেশের ৮০০টি প্রকল্পের মধ্যে সেরার শিরোপা উঠল এই প্রকল্পের মাথায়।

আগেই কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই পুরস্কারের বিষয়ে ঘোষণা করা হয়েছিল। একদিকে যখন রাজ্য সরকার অনবরত রাজ্যে বরাদ্দ, রাজ্যকে বঞ্চনা করার অভিযোগ তুলে আসছে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে, সেই সময় দাঁড়িয়ে খোদ কেন্দ্র সরকারের থেকে এমন এক পুরস্কার পাওয়া রাজনৈতিক দিক থেকে যে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ, তা বলাই বাহুল্য।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের নহ্যে ভোটকুশলীর কাজ শুরু করেন প্রশান্ত কিশোর। সেই সময় তাঁর পরামর্শেই পরের বছরের ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচি। এই দুয়ারে সরকারের শিবির থেকে স্বাস্থ্যসাথী থেকে শুরু করে কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, খাদ্যসাথী, শিক্ষাশ্রী, তফসিলি জাতি, আদিবাসী এবং ওবিসিদের শংসাপত্র প্রদান, কৃষক বন্ধু, তফসিলি বন্ধু পেনশন প্রকল্প, মানবিক প্রকল্প-সহ নানান সরকারি পরিষেবা পেয়ে থাকেন সাধারণ মানুষ।

নবান্ন সূত্রে খবর, বর্তমানে রাজ্যে ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির পঞ্চম পর্ব চলছে। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩.৬ লক্ষ শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রায় ৬.৬ কোটি মানুষ একই জায়গা থেকে নানান ধরণের সরকারি সুবিধা পাচ্ছেন।

আরও অন্যান্য খবর