জন্মদিনে মহারাজের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী, প্রায় ১ঘণ্টা সময় কাটালেন, তাহলে কি সৌরভকে ঘাসফুলের দিকে আনাটাই লক্ষ্য মমতার?

মহারাজা সৌরভ গাঙ্গুলি বাঙালি তথা ভারতের গর্ব। অনুরাগীদের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় আপ্লুত তিনি। দাদার ৪৯ তম জন্মদিনে আরো রঙিন করে দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিবার তিনি নিয়ম করে শুভেচ্ছা জানান। এবারে সোজা বেহালার বাড়িতে হাজির তিনি। প্রায় ৪৫মিনিট দাদার বাড়িতে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেচ্ছা বার্তার সাথে পাঠালেন ফুল, মিষ্টি।

সকাল থেকেই শুভেচ্ছা বার্তায় ভরে যাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া। টলিউড থেকে বলিউড সকলেই দাদার সাথে কাটানো মুহূর্ত ভাগ করে নিয়েছেন। সচিন তেন্ডুলকর টুইটারে বাংলায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, লিখেছেন ‘আমার প্রিয় দাদি। শুভ জন্মদিন। আপনার সামনে একটি স্বাস্থ্যকর এবং সুখী বছর কামনা করি।’

জন্মদিনে মহারাজের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী, প্রায় ১ঘণ্টা সময় কাটালেন, তাহলে কি সৌরভকে ঘাসফুলের দিকে আনাটাই লক্ষ্য মমতার?

একসময়ের সতীর্থ বীরেন্দ্র সহবাগ থেকে হরভজন সিং কেউ বাদ যায়নি। বৃষ্টি ভেজা কলকাতা, তবুও মহারাজের জন্মদিন, তাই বৃষ্টি উপেক্ষা করেই দাদার সাথে দেখা করতে হাজির ভক্তরা। ফুল, উপহার ব্যানার পোস্টার হাতে দাদার সাথে দেখা করার জন্য ভিড় সকালেই। নিরাশ করেননি সৌরভ, দেখা করেছেন, সেলফি অটোগ্রাফ দিলেন প্রাণ ভরে।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সৌরভ জানান, “(জন্মদিনে) কোনও পরিকল্পনা নেই। আমি একদম ফিট। আরও এক বছর কেটে গেল। এটাই সবার ক্ষেত্রে এক।”

জন্মদিনে মহারাজের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী, প্রায় ১ঘণ্টা সময় কাটালেন, তাহলে কি সৌরভকে ঘাসফুলের দিকে আনাটাই লক্ষ্য মমতার?

বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ সৌরভের বাড়িতে আসেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সময় থেকেই তাদের মধ্যে সম্পর্ক বেশ ভালো। এই বছরের শুরুর দিকে বিধানসভা নির্বাচনের আগে মহারাজ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে হাসপাতালে চলে আসেন, খোঁজ নেন শরীর স্বাস্থ্যের।
তবে রাজনৈতিক মহলের ধারণা এই সাক্ষাৎ কি নিছকই সৌজন্যে?

বিধানসভা নির্বাচনের আগে খবর রটেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হতে পারেন বি জে পি থেকে সৌরভ গাঙ্গুলি। যদিও পরবর্তীকালে সৌরভ কোনো রাজনৈতিক দলেই আসেনি। তবে জন্মদিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগমন রাজনৈতিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন অনেকেই।

RELATED Articles