Mamata Banerjee slammed Tapas Roy: আগামী শনিবার অর্থাৎ ১ জুন রয়েছে লোকসভা নির্বাচনের সপ্তম ও শেষ দফার ভোট। এদিন ভোট রয়েছে কলকাতা, দমদম, বারসাত নানান কেন্দ্রে। ফলত শহরে এই সময় তুমুল ব্যস্ততা রাজনৈতিক নেতাদের। চলছে নির্বাচনী প্রচার। উত্তর কলকাতার তৃণমূল প্রার্থী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে সভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেখান থেকেই তাঁর এককালের সতীর্থ বর্তমান বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়কে আক্রমণ শানান তিনি (Mamata Banerjee slammed Tapas Roy)।
গতকাল, সোমবার বড়বাজারে নির্বাচনী সভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাশে নিয়েই তিনি বেলাগাম তোপ দাগেন উত্তর কলকাতার বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়কে (Mamata Banerjee slammed Tapas Roy)। বলেন, “সুদীপদা আমাদের তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা। ওঁকে গ্রেফতার করেছিল, কোনও অপরাধ ছিল না। পার্টি ছাড়েননি। তাপস রায় এক বছর আগে থেকেই বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছিলেন”।
তাপস রায় তৃণমূলের দীর্ঘদিনের সৈনিক ছিলেন। লোকসভা ভোটের আগে তিনি যোগ দেন বিজেপিতে। লড়ছেন উত্তর কলকাতা কেন্দ্র থেকে তাঁরই একসময়ের সহকর্মী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আক্রমণের পাল্টা জবাব দিয়ে তাপস রায় বলেন, “আমার বাড়িতে ইডি-র তল্লাশির পরে আমি বিজেপিতে যোগ দিইনি। আমি ৫২ দিন সময় নিয়েছিলাম। তার পরেও যখন দলের তরফে কোনও বিবৃতি পেলাম না অথচ বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী জলদস্যু শেখ শাহজাহানের পক্ষ নিলেন, সে দিন আমি ঠিক করলাম, আর এই দল করব না” (Mamata Banerjee slammed Tapas Roy)।
তাপসের কথায়, “সবাইকে নিজের মতো ভাববেন না! আপনি কত বার ইউপিএ-তে থেকে এনডিএ-এর সঙ্গে আর এনডিএ-তে থেকে ইউপিএ-র সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছিলেন, সেটা সবাই জানে”।
এরপর তাপসের নিশানায় ছিলেন সুদীপও। বিজেপি প্রার্থীর কথায়, “উনি স্বাধীনতা সংগ্রাম করে জেলে যাননি! ওঁর দুর্নীতির ইতিহাস আছে। সেই ৫০ বছর আগে ভুষি কেলেঙ্কারি দিয়ে শুরু করেছিলেন, রোজভ্যালি দিয়ে শেষ করেছেন” (Mamata Banerjee slammed Tapas Roy)।
মমতার উদ্দেশে তাপসের বার্তা, “মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী আপনি প্রধানমন্ত্রীকে প্রাক্তন করতে চাইছেন। আপনি কবে প্রাক্তন হবেন, সেই দিন গুনুন”।
এদিন তাপস রায়ের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে পাল্টা দেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, “আমি এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করছি। উনি (তাপস) কোনও কারণে দল বদল করেছেন। কিন্তু তার জের ধরে এত দিন যে দল করলেন, সেই দলের নেত্রীর সম্পর্কে কু-কথা বলা অনৈতিক”।






