আর জি কর কাণ্ডের জেরে রাজ্যজুড়ে এই মুহূর্তে প্রতিবাদের হাওয়া। একদিকে যেমন চলছে মাতৃবন্দনার প্রস্তুতি, তেমনই অন্যদিকে চলছে তিলোত্তমার ন্যায় বিচারের দাবীতে আন্দোলন-বিক্ষোভ। এমন শহর মনে হয় আগে বাঙালি দেখে নি। মায়ের জন্য মন যেমন খুশিতে ভরা, তেমনই এক মেয়ের জন্যও মন ভারাক্রান্ত সকলের। এমন আবহে এবার আর জি কর কাণ্ড নিয়ে কলম ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তৃণমূলের মুখপত্র হল ‘জাগো বাংলা’। সেই মুখপত্রের শারদ সংখ্যায় এবার আর জি কর প্রসঙ্গ তুলে ধরলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিকে যখন আর জি কর ঘটনার প্রতিবাদে মহালয়ার দিনও চলছে একাধিক মিছিল, আন্দোলন, সেই সময় দাঁড়িয়ে এই মহালয়ার দিনই প্রকাশ পেল ‘জাগো বাংলা’র শারদ সংখ্যা।
গতকাল, বুধবার নজরুল মঞ্চে ‘জাগো বাংলা’র উৎসব সংখ্যা প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল। এদিন তৃণমূল কাউন্সিলরদের উদ্দেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “জাগো বাংলার শারদ সংখ্য়ায় অনেক ইনফরমেশন থাকে। অনেক কষ্ট করে এটা হয়। আমরা এক পয়সারও বিজ্ঞাপন নিই না। যাঁরা লেখেন, তাঁরাও চান লেখাগুলো পড়ুন”।
এই মুখপত্রে আর জি কর নিয়ে নিজের লেখা প্রসঙ্গে মমতা বলেন, “আরজি করের ঘটনায় আমার হৃদয় জ্বলে ছারখার হয়ে গেছে। মনে হচ্ছিল পরিবারের কাউকে হারালাম”। তিনি এও জানান, শারদ সংখ্যার প্রচ্ছদও তিনি এঁকেছেন। এই অনুষ্ঠানেই আবার প্রকাশিত হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা গানের অ্যালবামও। তাঁর নিজের কথা ও সুরেই তৈরি হয়েছে এই অ্যালবাম।
এদিনের এই অনুষ্ঠানে পুজো কেন করা দরকার সেই প্রশ্নের জবাবও দেন মমতা। তিনি বলেন, “আমি মনে করি সবাইকে নিয়ে চলায় একটা প্রাণ আছে। অনেক বড় বড় পুজো কলকাতায় হয়। অনেক ভালো পুজো জেলায় হচ্ছে। পুলিশের সাথে সমণ্বয় রাখুন। প্রবীণ, শিশু ও নবীনদের দিকে বেশি নজর রাখুন”।
শুধু পুজোই নয়, এদিন সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতির কথাও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “অনেক বানভাসি মানুষ আছেন। তাদের পাশে সাধ্যমতো থাকুন। আমরা অনেক করেছি। আমাদের দল অনেক করেছে। আমরা চুপ করে কাজ করেছি। আমাদের দল অনেক করেছে। আমরা চুপ করে কাজ করছি। আমি মনে করি চুপ করে কাজ করা উচিত। বেশি বকবক করা উচিত নয়”।





