ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে ধ্বংসের মুখে বাংলা। সুন্দরবন ও দুই ২৪ পরগণার বিস্তীর্ণ এলাকা প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। ২০২০ সালের ২০ মে যেন বিষে বিষে ভরিয়ে দিয়ে গিয়েছে রাজ্যকে। ঘটনার ৩দিন পর আজও বহু জায়গা বিদ্যুৎহীন, জলহীন, যোগাযোগহীন। তাই রাজ্যের কাছে এখন বড় চ্যালেঞ্জ, এই প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করা ।ঠিক সে কারণেই আপাতত শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন রাজ্যে না পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রককে চিঠি দিলেন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা। যদিও এই ঘটনা নিয়েও শুরু হয়েছে সমালোচনা।
আম্ফানে বিপর্যস্ত বিভিন্ন জেলায় পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চলছে। রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ২৬ মে পর্যন্ত শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন না পাঠাতে অনুরোধ করে রেলবোর্ডের চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা।

যদিও এই ঝড় আসার পূর্বাভাস পাওয়ার পরেই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়ে বাংলা ও ওড়িশার সমস্ত শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছিল। ঝড়ের দাপটে ট্রেন উল্টে গিয়ে যাতে বড় কোনও দুর্ঘটনায় না পড়তে হয়, সে কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল রাজ্যের তরফে । ওই দিন মহারাষ্ট্র থেকে প্রায় ৫ হাজার যাত্রী নিয়ে তিনটি ট্রেন আসার কথা ছিল বাংলা এবং ওড়িশায় । পরে সে গুলি বাতিল করা হয় ।
একে করোনা নিয়ে বিপদে ছিল বাংলা, এবার তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আম্ফান। সবমিলিয়ে বিপর্যস্ত গোটা বাংলা। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই স্বাগত জানিয়েছেন, আবার অনেকে বলছেন এতে পরিযায়ী শ্রমিকদের কী দোষ? এই নিয়ে দিনভর চলছে চাপানউতোর।





