‘লাপতা বিহারীবাবু’! ছটপুজোর আগে পোস্টারে পোস্টারে ছয়লাপ আসানসোলে, কোথায় ‘উধাও’ হয়ে গেলেন তৃণমূল সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা?

তৃণমূলের (TMC) অধরা লোকসভা কেন্দ্র আসানসোলে (Asansol) তিনিই ঘাসফুল ফুটিয়েছিলেন। লোকসভা উপনির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে লড়ে আসানসোলের সাংসদ (MP) হন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। কিন্তু ভোটে জেতার পর থেকেই তাঁকে আর এলাকায় বিশেষ দেখা যায় না। কোথায় গেলেন বিহারীবাবু ওরফে শত্রুঘ্ন সিনহা (Shatrughan Sinha)?

আসানসোলে প্রচুর অবাঙালি মানুষের বাস। তাদের মধ্যে আবার বেশিরভাগই বিহারী। তাদের বড় উৎসব ছটপুজো, তার আর বেশিদিন বাকি নেই। ছটপুজোর আগেই আসানসোলের কুলটিতে এক বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে পড়ল পোস্টার। সেই পোস্টারে বলা হয়েছে যে বিহারীবাবু অর্থাৎ শত্রুঘ্ন সিনহা নাকি নিখোঁজ। কোথায় গেলেন তিনি? হারিয়ে গেলেন না তো?

এমনিতে বিধায়ক বা সাংসদদের ‘নিখোঁজ’ হয়ে যাওয়ার পোস্টার পড়া খুব একটা নতুন ঘটনা নয় এই রাজ্যে। এর আগেও বসিরহাটে সাংসদ নুসরত জাহানের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পোস্টার পড়েছিল। আর এবার ফের এক তৃণমূল সাংসদের নিখোঁজ হওয়ার পোস্টারে ছয়লাপ আসানসোল। তবে এই পোস্টার পড়ার ঘটনার পিছনে বিজেপির হাত রয়েছে বলে সন্দেহ তৃণমূলের।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর সেলিম আনসারি বলেন, “সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা তো মাসে একবার আসানসোলে আসেন। এগুলো বিজেপির কিছু পাগল লোকের কারবার”।

এর পাল্টা বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “উনি মন্ত্রী থাকতেও বিদেশে ঘুরতেন। সাংসদ থাকতেও তা-ই। তাঁকে যাঁরা পছন্দ করেছেন, তাঁদের এটা মেনে নিতেই হবে। সেইজন্য উনি বিজেপিতে টিকতে পারেননি। কারণ, এখানে খেটে কাজ করে, লোকের সঙ্গে থেকে রাজনীতি করতে হয়। যে পার্টিতে উনি গেছেন, সেই পার্টিতে অনেক নেতা-কর্মী নিখোঁজ আছেন। অনেকে ভেতরে চলে গেছেন। সেই কালচারের লোক। ঠিকই আছে”।

RELATED Articles