রামের পর এবার দুর্গা! রাজ্যে দুর্গাপুজোয় এবার আর্থিক অনুদান দেবে মোদী সরকার, বাঙালির ধর্মীয় আবেগে শান?

বিগত বেশ কিছু বছর ধরেই রাজ্যে দুর্গাপুজোর কমিটিগুলিকে অনুদান দিয়ে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই একই পথে হাঁটল কেন্দ্র সরকারও। রাজ্যের দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে এবার আর্থিক অনুদান দিল মোদী সরকার। রামমন্দিরের পর এবার লোকসভা ভোটের আগে কী বাঙালি ধর্মীয় আবেগে শান দেওয়ার চেষ্টা গেরুয়া শিবিরের? উঠছে প্রশ্ন।

এর আগে দুর্গাপুজোতে মুখ্যমন্ত্রীর অনুদান দেওয়া নিয়ে কটাক্ষ করে এসেছে বঙ্গ বিজেপি। আবার গেরুয়া শিবিরের তরফে এও অভিযোগ তোলা হয়েছিল যে বাংলায় দুর্গাপুজোই হয় না। কিন্তু এবার বাঙালিদের মন জয় করতে দুর্গাপুজোতে অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্তই নিল কেন্দ্র সরকার।    

এই অনুদান দেওয়ার জন্য এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে তা করেছে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক। গতকাল, রবিবার এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই অনুদানের টাকা তুলে দেওয়া হয় ক্লাবগুলিকে। তবে রাজ্যের সমস্ত ক্লাব এই টাকা পায়নি। বাছাই করা কিছু ক্লাবকেই দেওয়া হয়েছে অনুদানের টাকা। এই অনুদানের টাকা রয়েছ ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকার মধ্যে।

কারা পেল এই অনুদান?

এদিন মোট ৩৫টি ক্লাবের হাতে অনুদান দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৫টি ক্লাব ৫০ হাজার টাকা করে পেয়েছে। আর ১০টি ক্লাব পেয়েছে ১ লক্ষ টাকা করে। কলকাতার মধ্যে যে ক্লাবগুলি টাকা পেয়েছে, সেগুলি হল- সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার, কালীঘাটের নেপাল ভট্টাচার্য ক্লাব। আবার বালুরঘাটের সুকান্ত মজুমদারের ক্লাবও পেয়েছে এই অনুদানের টাকা।

এমন ঘটনায় কটাক্ষ তৃণমূলের

কেন্দ্র সরকারের এই দুর্গাপুজোতে অনুদানের টাকা দেওয়া নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়ে নি ঘাসফুল শিবির। তৃণমূল নেতা অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “আমাদের দেখানো পথে বিজেপিকে হাঁটতে হবে। তবে কীসের ভিত্তিতে ৩৫টি ক্লাব বাছাই করেছেন তা জানি না। ওইসব ক্লাবগুলি শুভেন্দু অধিকারী নাকি সুকান্ত মজুমদার ঠিক করে দিয়েছেন তা দেখতে বলুন”।

অন্যদিকে, বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য জানান, কীসের ভিত্তিতে ৩৫ ক্লাবকে বাছাই করা হয়েছে, তা তিনি জানেন না। তবে তাঁর দাবী, “কেন্দ্র যখন ৩৫টি ক্লাবকে চিহ্নিত করেছেন তখন নিঃসন্দেহে কিছু গাইডলাইনস রয়েছে। কোনও উৎকর্ষতার উপর ভর করেই দেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার যেটা করছে সেটা নির্দিষ্ট আঙ্গিকে করছে”।

আরও অন্যান্য খবর