কোচবিহারে যে ঘটনা ঘটেছে, তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছাপ্পা ভোটের ষড়যন্ত্রের অংশ, এমনটাই মনে করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন কল্যাণীর সভা থেকে মোদী বলেন যে মমতা নিজের পরাজয় দেখে ভয় পাচ্ছেন। এই কারণেই প্রকাশ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনিকেব ঘেরাও করতে বলছেন। একদল ঘেরাও করবে, আরেক দল ছাপ্পা ভোট দেবে।
এদিন কল্যাণীর সভায় দাঁড়িয়ে মোদী বলেন, “পরাজয়ের আঁচ পেয়ে নতুন ষড়যন্ত্র করছেন দিদি। তপশিলি জাতি ও উপজাতির মানুষকে ভোট না দিতে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তার বদলে ছাপ্পা দেবে ওঁর দলের লোকেরা। প্রকাশ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করার কথা বলছেন। সেই সুযোগে ছাপ্পা দেবে তৃণমূলের লোকেরা। কোচবিহারে যা হয়েছে, তা দিদির ছাপ্পা ভোটের মাস্টার প্ল্যানের অংশ”।
গত শনিবার, চতুর্থ দফা ভোটের দিন কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয় ৪ জনের। সেদিন শিলিগুড়ির জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “দিদি ও তৃণমূলের গুন্ডাদের স্পষ্ট করে বলতে চাই, দিদি ও টিএমসির খামখেয়ালিপনা চলতে দেব না। আমি নির্বাচন কমিশনকে বলছি, কোচবিহারের ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হোক। হিংসা, নিরাপত্তা বাহিনীর উপরে আক্রমণের পরিকল্পনা ও ভোটপ্রক্রিয়ায় বাধাদান আর আপনাকে বাঁচাতে পারবে না দিদি। হিংসা ছড়িয়ে আপনি ১০ বছরের কুকর্ম থেকে রক্ষা পাবেন না”।
আরও পড়ুন- ‘দিদির কী মিহিদানা পছন্দ নয়, এত তিক্ত কেন দিদি?’ ফের মমতাকে কটাক্ষ মোদীর
সেদিন মোদী এও বুঝিয়ে দিয়েছিলেন যে তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশেই আছেন। এও আকারে ইঙ্গিতে বলেছিলেন যে শীতলকুচিতে তৃণমূলের লোকেরাই গণ্ডগোল করতে গিয়েছিল। এই শীতলকুচির ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি সরগরম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্,’র নির্দেশেই সেদিন শীতলকুচিতে গুলিই চলেছিল। এই কারণে অমিত শাহ্’র পদত্যাগের দাবীও করেন মুখ্যমন্ত্রী।





