খাবারের লোভ দেখিয়ে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধ’র্ষ’ণে’র চেষ্টার অভিযোগ উঠল দাদুর বিরুদ্ধে। অভিযোগ দায়ের হতেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পকসো আইনে মামলা রুজু হয়েছে। নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি নেয় পুলিশ। গোটা ঘটনাটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কোথায় ঘটেছে এমন ঘটনা?
ঘটনাটি ঘটেছে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট পুরসভা এলাকায়। জানা গিয়েছে। খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ওই তৃতীয় শ্রেণীর নাবালিকাকে বাড়িতে নিয়ে যায় ৬০ বছর বয়সী প্রতিবেশী বৃদ্ধ। তাকে দাদু বলেই ডাকত ওই নাবালিকা। এরপর নাবাকিকাকে শ্লী’ল’তা’হা’নি ও ধ’র্ষ’ণের চেষ্টা করে ওই বৃদ্ধ।
নাবালিকার চিৎকার শুনে ছুঁতে আসেন প্রতিবেশীরা। তখনই আসল ঘটনা জানা যায়। শিশুটিকে প্রায় ন’গ্ন অবস্থায় উদ্ধার করেন তারা। খবর দেওয়া হয় বালুরঘাট থানায়। অভিযোগ পেয়েই ওই বৃদ্ধকে গ্রেফতার পুলিশ। গতকাল, শুক্রবার ধৃতকে আদালতের পকসো কোর্টে তোলা হয়। তাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।
এই ঘটনায় নির্যাতিতার বাবা জানান, “গতকাল ওই ঘটনার পর পালিয়ে গিয়েছিল অভিযুক্ত। রাতেই এনিয়ে বালুরঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করি। পরে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। ওর চরমতম শাস্তির দাবী জানিয়েছি”।
এই ঘটনার বিষয়ে বালুরঘাট থানার আইসি শান্তিনাথ পাঁজা বলেন, “ধ’র্ষ’ণের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিন আদালতে তোলা হলে আদালত থেকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এ নিয়ে পকসো আইনে মামলা রুজু হয়েছে”।





