সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে বিগত কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি। অশান্তি নিয়ে জল গড়িয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত। সন্দেশখালি ঢোকার সময় পুলিশের বাধাপ্রাপ্ত হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তিতে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। এবার এই নিয়ে মন্তব্য করলেন তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
কী বলেছেন অভিষেক?
গতকাল, শুক্রবার ভার্চুয়াল বৈঠকে সুকান্ত মজুমদারের অসুস্থতা প্রসঙ্গে কটাক্ষ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, “বিরোধীদের কথা আর কি বলব? সন্দেশখালি নিয়ে এত নাচানাচি। অথচ চোপড়ায় বিএসএফের গাফিলতির কারণে চারটে ফুটফুটে শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ভেবে দেখুন বিএসএফ বেআইনি নর্দমা খনন করছে। আর সেই নর্দমায় পড়ে চারটে শিশুর মৃত্যু হল। কে গিয়েছে সেখানে? বিজেপি রাজ্য সভাপতি গাড়ি থেকে পা পিছলে পড়ে গিয়েছেন। সে কারণে সরকারি আমলাদের স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস পাঠাচ্ছে। আর আমাদের নেতাদের দিল্লিতে কী করা হয়েছিল?”
প্রসঙ্গত, গত বুধবার সকালে সন্দেশখালি যাওয়ার কথা ছিল বিজেপি প্রতিনিধিদের। কিন্তু বুধবার গভীর রাত থেকেই সন্দেশখালির ১৯টি জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করে পুলিশ। সুকান্ত মজুমদারকে কর্মসূচি বাতিলের কথা বলে পুলিশ। কিন্তু তা মানতে চান নি তিনি।
ইছামতীর পাড়ে হোটেলের গেতেই মূর্তি রেখে সরস্বতী পুজো করেন তিনি। এরপর মূর্তি নিয়ে অগ্রসর হন সন্দেশখালির দিকে। সেই সময় তাদের বাঁধা দেয় পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে বচসা বাঁধে বিজেপি কর্মীদের। শুরু হয় ধ্বস্তাধস্তি।
এসবের মাঝেই পুলিশের গাড়ির বনেটে উঠে বিক্ষোভ দেখান সুকান্ত মজুমদার। কিন্তু ধাক্কাধাক্কিতে মাটিতে পড়ে যান তিনি। অচৈতন্য হয়ে পড়েন বিজেপি নেতা। পিঠ ও শিরদাঁড়ায় চোট পান তিনি। এরপর তাঁকে বাইপাসের ধারে এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার তাঁকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলএন মিঠুন চক্রবর্তী, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়রা। এরই মাঝে এবার সুকান্তর অসুস্থতা প্রসঙ্গে কটাক্ষ অভিষেকের।





