দেবীপক্ষের সূচনা হয়ে গিয়েছে। ঢাকে পড়েছে কাঠি। দিকে দিকে এখন শুধু পুজোর গন্ধ। মা দুর্গার মর্ত্যে ফেরার অপেক্ষায় আপামর বাঙালি। এমন আনন্দের মধ্যে এবার আবহাওয়া দফতরও খুশির খবরই দিল বঙ্গবাসীকে। পুজোর মধ্যে আকাশ ঝকঝকে পরিষ্কার থাকবে বলেই জানা গেল।
কী জানাল আবহাওয়া দফতর?
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী পর্যন্ত বঙ্গের আকাশ একেবারে পরিষ্কার থাকবে। ঝকঝকে আকাশে দেখা মিলবে পেঁজা তুলো মেঘের। ফলে নিশ্চিন্তে প্যান্ডেল হপিং করতে পারবে বঙ্গবাসী। তবে বাঁধ সাধতে পারে নবমী ও দশমী। এই দু’দিন উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হতে পারে বলে আভাস দিল হাওয়া অফিস।
আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, পুজোর মধ্যেই ধীরে ধীরে কমবে তাপমাত্রা। ইতিমধ্যেই দক্ষিণবঙ্গে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমতে শুরু করেছে। পুজোর পরই মিলবে হিমের পরশ। ভোরের দিকে ও গভীর রাতে হালকা গা শিরশিরানি ভাব থাকতে পারে পুজোর সময়।
আজ, সোমবার সকালে কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল, রবিবার বিকেলে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল ৪০ থেকে ৮৫ শতাংশ। উত্তরবঙ্গে দার্জিলিং ও কালিম্পং ছাড়া সব রাজ্যেই বৃষ্টির পরিমাণ কমেছে। পাহাড়ও পুজোর সময় শুকনোই থাকবে বলে জানাল আবহাওয়া দফতর।
তবে পুজোর সময় বাংলায় বৃষ্টি না হলেও আরবসাগরে ও বঙ্গোপসাগরে জোড়া নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর একটির অভিমুখ চেন্নাইয়ের দিকে আর অন্যটি দেশ পেরিয়ে ওমান অভিমুখে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই জোড়া নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর, পাঞ্জাব সহ একাধিক রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবার তামিলনাড়ু সহ দক্ষিণের রাজ্যগুলিতেও বৃষ্টি হতে পারে বলে জানাল আবহাওয়া দফতর।






