কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা, তবে এদিন বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল পদাতিক এক্সপ্রেস, বাঁচল শ’য়ে শ’য়ে মানুষের প্রাণ

আজ, সোমবার সকালেই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। এই দুর্ঘটনায় প্রাণ গিয়েছে একাধিকের। উত্তরবঙ্গ হাসপাতালে এখন শুধুই হাহাকারের ছবি। এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। এদিন যে শুধু কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনা ঘটেছে তাই-ই নয়, এদিন আবার বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে পদাতিক এক্সপ্রেসও।  

আজ, সোমবার সকাল ৯টা নাগাদ ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। পিছন থেকে এসে ওই ট্রেনে ধাক্কা মারে একটি মালগাড়ি। একটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায় আর একটি বগি ইঞ্জিনের উপর। দুটি বগি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহত হয়েছে ৬০ জনের।

এদিন বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে পদাতিক এক্সপ্রেস। যে সময় কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, সেই সময় ওই জায়গার কাছেই ছিল শিয়ালদহ থেকে জলপাইগুড়িগামী পদাতিক এক্সপ্রেস। সেই সময় যদি পদাতিক এক্সপ্রেসটিকে সেখানেই থামিয়ে দেওয়া না হত, তাহলে আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ঠিক সময়ে পদাতিক এক্সপ্রেসটিকে না থামালে শ’য়ে শ’ইয়ে যাত্রীর প্রাণ বেঁচে গিয়েছে। তা না হলে একই দিনে দুটি ট্রেন দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকত বাংলা।

এদিন পদাতিক এক্সপ্রেসে চড়েই আলিপুরদুয়ার ফিরছিলেন আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান, “আরো বড় ভয়াবহ দুর্ঘটনা হতে পারত! রাঙ্গাপানি দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দূরে নিউ আলিপুরদুয়ারগামী পদাতিক এক্সপ্রেস আটকে গেল। কিছু সময়ের এদিক ওদিক হলেই দুর্ঘটনাগ্রস্ত মালগাড়ির বদলে পদাতিক ও কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস এক লাইনে চলে আসত”।

বিধায়ক বলেন, “১২ নম্বর কেবিনের সিগন্যাল ম্যান জানিয়েছেন রেড সিগন্যাল দেওয়া সত্ত্বেও মালগাড়ির ড্রাইভার সিগন্যাল উপেক্ষা করে ট্রেন ঢুকিয়ে দেয়। দুর্ঘটনা হয়েছে জানতে পেরেই আমি নেমে পড়ে উদ্ধার কাজে হাত লাগাই”।

RELATED Articles