সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। এর আগে ফের বড় ভাঙন দেখা দিল শাসক শিবিরে। ময়নাগুড়ির পর এবার ভাঙন রাজগঞ্জে। দলীয় নেতৃত্বের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে ২০০ অনুগামীদের নিয়ে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন রাজগঞ্জের শিকারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রঞ্জিতা রায়।
গতকাল, সোমবার সন্ধয় রাজগঞ্জ ব্লকের শিকারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মালিভিটা ময়দানে একটি সভা করে বিজেপি। সেই সভা থেকেই গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নেন রঞ্জিতা রায়, তাঁর স্বামী বিষ্ণুপদ রায় সহ তাঁর বহু অনুগামী। বিজেপির জলপাইগুড়ির জেলার সভাপতি বাপি গোস্বামী, বিজেপি নেতা অর্জুন মন্ডল, তপন রায়, নকুল দাস সহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন সেই সভায়। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এম দলবদলের কারণে স্বভাবতই বেশ চাপের মুখে পড়েছে শাসক দল।
এই দলবদলের বিষয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি বাপী গোস্বামী বলেন, “রাজগঞ্জ ব্লকের শিকারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বর্তমান প্রধান রঞ্জিতা রায় সহ কিছু কর্মী তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন। আমরা এই এলাকায় ভালো ফল করবই”।
বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর রঞ্জিতা রায় জানান, “তৃণমূল কংগ্রেস দল ভালো। কিন্তু নেতৃত্ব ভাল নয়।এলাকার নেতারা ভাল নয়। তাই কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছিল। সেই কারণে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলাম”
দলের পঞ্চায়েত প্রধানের পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই দলবদলের ঘটনায় তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলার চেয়ারম্যান খগেশ্বর রায় বলেন, “যারা বিজেপিতে যোগ দিলেন তাঁরা প্রচুর দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছিলেন। তলে তলে বিজেপির সঙ্গে যোগ রাখছিলেন। তাঁরা দল ছেড়ে যাওয়ায় কোনও প্রভাব পড়বে না”।






