পানিহাটিতে প্রচারে বেরিয়ে আ*ক্রান্ত ‘অভয়ার মা’! ভোটের আগে কি বিরোধীদের দমনেই এই হামলা?TMC-র বিরুদ্ধে উঠছে একাধিক অভিযোগ!

ভোটের মুখে আবারও উত্তপ্ত রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। চারদিকে প্রচারের ঝড়, তার মাঝেই বাড়ছে সংঘর্ষ ও অশান্তির অভিযোগ। গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উৎসবের আগে এ ধরনের ঘটনা কি ইঙ্গিত দিচ্ছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও বাড়ছে উদ্বেগ।

এবার অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে পানিহাটির ইলিয়াস রোড। বিজেপি প্রার্থী তথা ‘অভয়ার মা’ রত্না দেবনাথ, ভোট প্রচারে বেরিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেই সময়ই তৃণমূলের মহিলা কর্মীরা আচমকা তাঁর উপর হামলা চালান। শুধু তাঁকেই নয়, তাঁর সঙ্গে থাকা কর্মীদেরও মারধর করা হয় বলে দাবি। ঘটনায় বেশ কয়েকজন গুরুতর জখম হন এবং তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, একজন মহিলা প্রার্থীকে প্রকাশ্যে এভাবে আক্রমণ করা কি শুধুই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, নাকি এর পিছনে রয়েছে আরও বড় কোনও পরিকল্পনা?

টিএমসি অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দাবি করেছে, রত্না দেবনাথ প্রচারের সময় রাজ্যের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর মতো জনপ্রিয় প্রকল্প নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করছিলেন। আর সেই কারণেই স্থানীয় মহিলারা প্রতিবাদে সরব হন। কিন্তু এখানেই বড় প্রশ্ন কথার প্রতিবাদ কি মারধরের মাধ্যমে করা উচিত? কোনও মন্তব্য পছন্দ না হলেই কি একজন প্রার্থীকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করা গ্রহণযোগ্য? তা হলে কি রাজনীতিতে ভিন্ন মত প্রকাশের জায়গাটাই ক্রমশ সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে?

ঘটনার পর রত্না দেবনাথ স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই হামলার পিছনে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে জেলে পাঠানো হবে। তাঁর দাবি, এটি শুধুমাত্র তাঁর উপর নয়, গণতন্ত্রের উপর সরাসরি আঘাত। অন্যদিকে তৃণমূলের তরফে এই ঘটনাকে ‘অতিরঞ্জিত’ বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এতে কি সত্যিই দায় এড়ানো সম্ভব, নাকি প্রশ্ন আরও ঘনীভূত হচ্ছে?

আরও পড়ুনঃ ‘৭ মিনিটের মধ্যেই Get Lost!’ জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ডেরেকের বিস্ফো*রক অভিযোগে তোলপাড় পরিস্থিতি! কমিশনের ঘরে আসলে কী হয়েছিল? আচরণ ঘিরেই কি বদলে গেল গোটা ছবিটা?

সব মিলিয়ে, এই ঘটনা আবারও তুলে ধরল রাজ্যের রাজনৈতিক সংস্কৃতির বর্তমান চিত্র। ভোটের আগে বারবার কেন এই ধরনের হামলার অভিযোগ উঠছে? বিরোধী প্রার্থীরা কি নিরাপদ নন? নাকি পরিকল্পিতভাবে তাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে? এই প্রশ্নগুলির উত্তর এখনও অজানা, কিন্তু সাধারণ মানুষের মনে সন্দেহ ক্রমশই বাড়ছে।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

RELATED Articles