ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজ্যের রাজনৈতিক আবহাওয়া গরম হয়ে উঠছে। প্রায় প্রতিদিনই নতুন নতুন অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ আর ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক তৈরি হচ্ছে। সাধারণ মানুষের মধ্যেও তৈরি হচ্ছে কৌতূহল, কোনটা সত্যি, আর কোনটা শুধুই রাজনৈতিক কৌশল? এই পরিস্থিতিতেই আবার সামনে এল এক নতুন ভিডিও বিতর্ক, যা ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।
শাসকদলের দাবি, তাদের হাতে একটি ভিডিও এসেছে ( ভিডিওর সত্যতা খবর ২৪*৭ পৃথকভাবে যাচাই করেনি)। সেই ভিডিওতেই নাকি হুমায়ুন কবীরকে দেখা যাচ্ছে কারও সঙ্গে কথোপকথনে জড়াতে। ওই কথোপকথনের মধ্যেই উঠে এসেছে বিপুল অঙ্কের টাকার ‘ডিল’-এর প্রসঙ্গ, যা ঘিরেই তৈরি হয়েছে বিতর্কের ঝড়।
ভিডিয়োতে শোনা যাচ্ছে, প্রায় ১,০০০ কোটি টাকার একটি ডিল নিয়ে আলোচনা চলছে। এমনকি সেই কথোপকথনের মধ্যে অগ্রিম হিসেবে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা চাওয়ার প্রসঙ্গও নাকি উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে। যদিও এই অডিও বা ভিডিও ক্লিপের সত্যতা নিয়ে এখনও কোনও সরকারি বা স্বাধীন যাচাই হয়নি, তবুও তা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
শুধু টাকার প্রসঙ্গই নয়, ওই কথোপকথনে মুসলিম ভোটারদের নিয়েও আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ। দাবি করা হচ্ছে, সেখানে এমন ইঙ্গিত রয়েছে যে সাধারণ মানুষকে প্রভাবিত করার জন্য বিশেষ কৌশল নেওয়া হতে পারে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি আরও স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে।
এই ঘটনার পর শাসকদলের পক্ষ থেকে হুমায়ুন কবীরকে অবিলম্বে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি তোলা হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, যখন এত বড় অঙ্কের টাকার লেনদেনের প্রসঙ্গ উঠছে, তখন সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থারও সক্রিয় হওয়া উচিত। কারা এই পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত, তা সামনে আনার দাবি জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ “ভারতীয় সংবিধান রক্ষি’তাদের মান্যতা দেয় না!” আইন অমান্য করে ঋতিকাকে বিয়ে, মনোনয়নপত্রে প্রথম স্ত্রীর নাম দেখে হিরণকে ব্যঙ্গ অনিন্দিতার! জনসম্মুখে ফের লজ্জায় মুখ পুড়’ল বিজেপি বিধায়ক ও অভিনেতার!
এদিকে, এই ভাইরাল ভিডিও এবং ওঠা অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত হুমায়ুন কবীরের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা আরও বেড়েছে। ভোটের আগে এই ভিডিও কতটা প্রভাব ফেলবে, আর এর পেছনের সত্যিটা কীসেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে।





