পুজো প্রায় শুরু হয়ে গেছেই বলা যেতে পারে। এই পুজোর সময় অনেক মানুষই আছেন যারা বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। এই কারণে বিভিন্ন পর্যটক কেন্দ্রগুলিতে পুজোর সময় বেশ ভিড়ও লক্ষ্য করা যায় প্রত্যেক বছরই। এই বছরও সেই সম্ভাবনা এড়ানো যাচ্ছে না। আর এই নতুন করে উদ্বেগ বাড়ছে প্রশাসনের।
একে এই করোনা পরিস্থিতি, তার জেরে এতদিনের লকডাউন। মানুষ প্রায় হাঁপিয়ে উঠেছে। কিন্তু ধীরে ধীরে সবকিছু পুরনো ছন্দে ফিরছে। ‘নিউ নর্মাল’-কে সঙ্গী করেই মানুষ নতুন করে বাঁচতে শিখছে। তাই পুজোর অন্যান্য বছরের ন্যায় এই বছরেও বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে ভিড় থাকার সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। তবে দূরে কোথাও না হলেও কাছাকাছির মধ্যে দীঘা যেতে অনেকেই পছন্দ করেন। এখানেই সারাবছরই অল্পবিস্তর ভিড় লেগেই থাকে। লকডাউনের পরে সাধারণ মানুষ দীঘাতেই বেশী ভিড় জমাচ্ছেন। পুজোর সময় যে এই ভিড় আরও বাড়তে পারে, সেই আশঙ্কাই করছেন প্রশাসন।
এখনও করোনা আতঙ্ক কাটেনি। প্রত্যেকদিনই নতুন করে হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন করোনাতে। এই দুশ্চিন্তাই ভাবিয়ে তুলেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলাশাসক পার্থ ঘোষ, পুলিশ সুপার সুনীল কুমার যাদব, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সভাধিপতি দেবব্রত দাস-সহ প্রশাসনিক আধিকারিকদের। এই নিয়ে দীঘায় প্রশাসনিক বৈঠকও করেন তারা। বৈঠকে পার্থ ঘোষ জানান, এ বছর পুজোতে বেশী সংখ্যক পর্যটক ভিড় জমাতে পারেন দীঘাতে। অনেকেই করোনা পরিস্থিতিতে দূরে কোথাও ঘুরতে যেতে পারছেন না।
তাই কাছে পিঠের মধ্যে দীঘাতে আসার সম্ভাবনাই বেশী। এই কারণেই দীঘার হোটেল অ্যাসিস্ট্যান্টদের কড়া পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে। সঠিক ভূমিকা পালন করতে হবে ট্রাফিক পুলিশকেও। তবে তারা আশা রাখছেন যে পর্যটন কেন্দ্রে পুজোর মরশুমে মানুষের ভিড়ে রাশ টানা যাবে। এছাড়াও, সাধারণ মানুষের জন্য যাতে সঠিক বিধিনিষেধ পালন করা হয় সেদিকেও ঠিকভাবে লক্ষ্য রাখা হবে বলে জানা গিয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে। এই সময় সংক্রমণ যাতে আরও বেশী ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সেদিকে নজর দেওয়া হবে।






