রাজ্যের বিরোধী দল নয় এবার তৃণমূলে কংগ্রসের কর্মীদের দ্বারা হামলার মুখে প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাক-এর প্রতিনিধিরা। রবিবার সকালে ‘বাংলার গর্ব মমতা’ কর্মসূচির তদারকি করতে গিয়ে পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের একাংশের আক্রমণের শিকার হন তাঁরা। যদিও তৃণমূলের আরেকটি অংশ কোনওক্রমে তাদের রক্ষা করেন। ঘটনা নিয়ে শোরগোল পড়েছে জেলার বাকি কর্মীদের মধ্যে। ঘটনার সাথে সাথেই তদন্তে নেমেছে শাসকদলের জেলা নেতৃত্ব।
প্রসঙ্গত, রবিবার সকালে আসানসোল-এর জামুড়িয়ায় ছিল জামুড়িয়া বিধানসভা কেন্দ্রের ‘বাংলার গর্ব মমতা’ কর্মসূচি। কর্মসূচি ঠিক মতো চলছে কি না তা দেখতে প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাক-এর ৫ প্রতিনিধি ওই অঞ্চলে উপস্থিত হন। ঘটনার সময় তাঁরা গাড়িতে স্টিকার আটকাচ্ছিলেন। এরই মধ্যে তাঁদের দিকে তেড়ে আসে স্থানীয় তৃণমূল নেতা অলোক দাস ও তাঁর অনুগামীরা। নেতার অনুগামীরা সাথে সাথেই আইপ্যাক-এর কর্মীদের মারতে উদ্যত হন। তাদের বাধা দেন জামুড়িয়া ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি মৃদুল চক্রবর্তী।
তৃণমূলের অন্দরের খবর, গত কয়েকমাস ধরেই দলে অলোক দাস কোণঠাসা। অলোক দাসের অনুমান যে, প্রশান্ত কিশোরের লোকজনই তাঁকে তৃণমূলে জায়গা পেতে দিচ্ছে না। তাই তাদের ওপর হামলা করতে যান তিনি। এর আগে ২ বার জেলা তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে তাঁকে। জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা আসানসোলের মেয়র জীতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়েছি। তদন্ত করে পদক্ষেপ করবে দল।’





