বিজেপি স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে পুলিশের বাধা, শুভেন্দু অধিকারীকে আটক করল পুলিশ, অভিযানকে ঘিরে তুলকালাম

আজ, বৃহস্পতিবার আর জি করের ঘটনার প্রতিবাদে স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের ডাক দেয় বিজেপি। এদিন হিডকো থেকে শুরু হয় মিছিল। স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাওয়ের ডাক দেওয়া হয়েছিল। এদিনের মিছিলে যোগ দেন সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, অর্জুন সিং, অগ্নিমিত্রা পাল, লকেট চট্টোপাধ্যায়, দেবশ্রী চৌধুরী, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, হিরণ চট্টোপাধ্যায়রা। কিন্তু মিছিল থেকেই শুভেন্দু অধিকারীকে আটক করে পুলিশ।

এদিন মিছিলের শুরুতেই শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “সুপ্রিম কোর্টে লাইভ শুনানি সকলেই দেখছেন। রাজ্য সরকার সবচেয়ে দামি আইনজীবী নিয়োগ করেছে। যে মুখ্যমন্ত্রী উই ওয়ান্ট জাস্টিস বলছেন। সেই মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সরকারের সমস্ত শক্তি সুপ্রিম কোর্টে লিগাল ব্যাটেলে প্রয়োগ করেছেন। যাতে জাস্টিস না পান। সব দেখছে মানুষ। তবে ইডি হয়ে যাওয়া উচিত। আজ কোর্টে হচ্ছে। তরুণজ্যোতি তিওয়ারি গোটা বিষয়টা দেখছেন”।

এদিন মিছিল আটকানোর জন্য স্বাস্থ্য ভবনের ৪ কিলোমিটার আগে ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলেছিল পুলিশ। কিন্তু সেই ব্যারিকেড ভেঙেই এগিয়ে যায় বিজেপি নেতা, কর্মীরা। ভাঙা হয় একের পর এক ব্যারিকেড। এর জেরে পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তি শুরু হয় বিজেপি নেতাদের। এমন সময় শুভেন্দু অধিকারীকে প্রিজন ভ্যানে তোলে বিধাননগর পুলিশ। কিন্তু সেই পুলিশ ভ্যান এগোতে দেন নি বিজেপি কর্মীরা। ভ্যানের সামনে বসে পড়ে প্রতিবাদ দেখান তারা।

আরও পড়ুনঃ আন্দোলনরত চিকিৎসকদের কাজে ফেরার অনুরোধ সুপ্রিম কোর্টের, আর জি কর মামলায় আর কী জানাল শীর্ষ আদালত? 

এদিন অর্জুন সিংকেও আটক করতে যায় পুলিশ। কিন্তু পুলিশকে তাড়া করে বিজেপি কর্মীরা। পুলিশকে পালাতে দেখা গেলেও পরবর্তীতে পুলিশ বিশাল বাহিনী নিয়ে আসে। পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের। তাদের একটাই দাবী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পদত্যাগ করতে হবে। তারা কী স্বাস্থ্য ভবনে  পৌঁছতে পারবে, সেটাই দেখার!

RELATED Articles