আর জি কর কাণ্ডের জেরে পুলিশের উপর বেশ ক্ষোভ জন্মেছে সাধারণ মানুষের। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। তথ্যপ্রমাণ লোপাট করায় হাত রয়েছে পুলিশের, এমনটাই অভিযোগ। ইতিমধ্যেই সিবিআই গ্রেফতার করেছে টালা থানার ওসিকে। এই ক্ষোভের জেরেই কী পুলিশকে হামলা? উঠছে প্রশ্ন।
গতকাল, মঙ্গলবার ছিল বিশ্বকর্মা পুজো। এদিন মদ খেয়ে যাতে কেউ গাড়ি না চালায় সেই কারণে চলছিল কড়া নাকা চেকিং। পার্ক সার্কাসের ট্র্যাফিক গার্ডের কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা নিজেদের কাজে ব্যস্ত ছিলেন রাতের সময়। কিন্তু ট্যাংরা এলাকায় চায়না টাউন ও খ্রিস্টফার রোডে ঢুকতেই বাঁধল বড় বিপত্তি।
অভিযোগ, আচমকাই নাকা চেকিংয়ের সময় ২০-৩০ জনের এক্ত দুষ্কৃতীদের দল ধেয়ে আসে পুলিশের দিকে। পুলিশকর্মীদের উপর চড়াও হয় তারা। ইচ্ছেমতো চলতে থাকে কিল-চড়-ঘুষি-লাথি। এমনকি বাঁশ, লাঠি দিয়েও হামলা করা হয় পুলিশের উপর, এমনটাই খবর। এই মারধরের জেরে বেশ আহত হন ট্র্যাফিক সার্জেন্ট, এক সিভিক ভলান্টিয়ার ও এক কনস্টেবল। পুলিশের পিসিআর ভ্যান, বাইকও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ।
ট্র্যাফিক সার্জেন্টকে বেশ গুরুতর আহত অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয় চিত্তরঞ্জন ন্যাশানাল মেডিক্যাল কলেজে। ঘাড়ে, মাথায়, পায়ে চোট পেয়েছেন তিনি। কনস্টেবল ও সিভিক ভলান্টিয়ারও বেশ আহত হয়েছেন বলে খবর। কেন আচমকা এই হামলা হল, তা জানা নেই।
তবে দুষ্কৃতীদের খোঁজ চালাচ্ছে তপসিয়া থানার পুলিশ। সিসিটিভি দেখে দুষ্কৃতীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। খাস কলকাতায় পুলিশের উপর এমন হামলার ঘটনা নজিরবিহীন।
আরও পড়ুনঃ জারি শাসকদলের গুণ্ডারাজ! এলাকা দখল নিয়ে বচসা, যুবককে লক্ষ্য করে গুলি, আটক তৃণমূল নেতা
বলে রাখি, গত সোমবার আবার এক ব্যক্তিকে কলকাতার রাস্তা থেকে অপহরণের চেষ্টা করা হচ্ছিল। তা আটকায় কলকাতা পুলিশ। জানা গিয়েছে, এক যুবককে পাটুলি এলাকায় একটি টেম্পো ট্রাভেলর গাড়িতে অপহরণ করা হয়েছিল। তবে একাধিক পুলিশ আধিকারিকরা মিলিতভাবে সেই অপহরণ আটকে দেন। এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছেন।






