কর্মবিরতি তুললেও ধর্মতলায় অবস্থান বিক্ষোভ করছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাদের এই ধর্না তুলে নেওয়ার জন্য এবার এল পুলিশের শাসানি। অবস্থান তুলে নিতে জুনিয়র চিকিৎসকদের ইমেল করল পুলিশ।
গতকাল, শুক্রবার কর্মবিরতি তুলেছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। তবে এদিন সন্ধ্যে ৮টা ১৫ মিনিট থেকে সরকারকে ২৪ ঘণ্টা ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছেন তারা। তাদের দাবী, এই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি সরকার তাদের দাবী পূরণ না করে, তাহলে তারা আমরণ অনশন করবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ডোরিনা ক্রসিংয়ে অবস্থান বিক্ষোভে জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাদের এই ধর্না তুলে নেওয়ার জন্য ইমেল পাঠানো লালবাজার।
কর্মবিরতি প্রত্যাহার করলেও পুলিশের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলে ধর্মতলায় ধর্নায় বসেছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। গতকাল রাত থেকেই অবস্থান বিক্ষোভ তাদের। এর জেরে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। পুজোর সময় ভিড়ের মধ্যে তারা যাতে এই অবস্থান বিক্ষোভ না চালিয়ে যান, তা জানিয়ে ইমেল পাঠায় লালবাজার।

প্রসঙ্গত, গতকাল, শুক্রবার সন্ধ্যেবেলা যখন জুনিয়র চিকিৎসকরা ধর্মতলায় মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, সেই সময় মিছিলের মধ্যে ঢোকে পুলিশ। তাদের সরঞ্জাম রাখতে বাধা দেয়। এক চিকিৎসককে টেনেহিঁচড়ে সরিয়ে দেয় পুলিশ। এমনকি, লাথিও নারা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাদের দাবী, পুলিশকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। সেই দাবীতেই ফের ডোরিনা ক্রসিংয়ে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।
বলে রাখি, এর আগে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে দীর্ঘ ১১ দিন অবস্থান বিক্ষোভ করেছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। এবার ধর্মতলাতেও শুরু হয়েছে তাদের অবস্থান। তবে আজ, শনিবার থেকে জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে ফেরার কথা। অবস্থান বিক্ষোভ করলে কাজে ফেরা কীভাবে সম্ভব, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আবার তাদের বেঁধে দেওয়া ডেডলাইন অনুযায়ী সরকার তাদের দাবী মেনে নেয় কী না, বা তারা কী সত্যিই অনশনের পথে হাঁটবেন, এখন সেটাই দেখার!





