দীর্ঘ বছর ধরেই প্রেসিডেন্সি জেলে হয়ে আসছে দুর্গাপুজো। রাজ্যে ৮টি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার রয়েছে। এর মধ্যে প্রেসিডেন্সি জেলে হয় দুর্গাপুজো। ব্রিটিশ আমল থেকেই এই পুজো হয়ে আসছে। এবারের পুজোয় প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছে চমক। পুজোর আগেই কী মুক্তি পাবেন দুই হাই প্রোফাইল ব্যক্তি পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের, তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।
জানা গিয়েছে, এবারের পুজোয় প্রেসিডেন্সি জেলের থিম ‘মুক্তি’। বিষয়টা ব্যাঙ্গাত্মক নাকি নিরপেক্ষ, তা অবশ্য যারা এই পুজো দর্শন করবেন, তাদের বিচার। তবে জেলে পুজোর থিম মুক্তি হলেও, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের যে পুজোর আগে জেলমুক্তি হচ্ছে না, তা বেশ স্পষ্ট। রেশন দুর্নীতিতে তো জেলে রয়েছেনই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। আবার পার্থ চট্টোপাধ্যায় নতুন করে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। ফলে এই বছর জেলেই থাকছেন দুই হেভিওয়েট।
প্রসঙ্গত, গত বছর প্রেসিডেন্সি জেলের থিম ছিল ‘এক টুকরো গ্রাম বাংলা’। থিমের কারিগর ছিলেন প্রেসিডেন্সি জেলের বন্দিরাই। প্রত্যেক বছর তারাই এই থিমের দায়িত্ব নেন। এবারও তেমনটাই হচ্ছে। নিজেরা মুক্তি না পেলেও নিজেরাই দায়িত্ব নিয়ে বানাচ্ছেন ‘মুক্তি’ থিম। এই থিমের মধ্যেই হয়ত আপাতত মুক্তির স্বাদ খুঁজে পেতে চান অনেকে।
এই থিম নিয়ে কারামন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা বলেন, “প্রতিবারেরর মতো এবারও অন্য ধরনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। থিম নির্বাচন করা হয়েছে মুক্তি। রীতি মেনে জেলের মধ্যেই পুজোর সমস্ত আয়োজন করা হবে”।
আরও পড়ুনঃ ধর্মতলা থেকে ধর্না তুলতে পুলিশের শাসানি জুনিয়র চিকিৎসকদের, লালবাজার থেকে পাঠানো হল ইমেল
পুজোর মধ্যে জেলে খাওয়াদাওয়ারও বিশেষ ব্যবস্থা থাকে প্রতি বছর। পুজোর কয়েকদিন বিশেষ রান্না হয় জেলে। ফ্রায়েড রাইস থেকে শুরু করে মটন, মাছ, নবরত্ন কারি, চিকেন, লুচি, তরকারি সবই থাকে পুজোর সময় জেলের মেনুতে।





