তিলজলার মতই এক অপহরণ ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হল হাওড়ার লিলুয়ায় | কলকাতার ঘটনায় যেমন পুত্রবধূ বলেছিলেন তাকে অপহরণ করতে চাইছিল কেউ | যা ঠেকাতে চেয়েছিল তার শ্বশুড় | এখানে তফাত একটাই | সিনেমার মতই প্লট সাজিয়েছিল অপহৃত মহিলার নিজের স্বামী| আর কন্যার নিজের বাবা | সেই অপহরণের ছক বানচাল হয়ে যায় পুলিশি ততপরতায় | সোমবার রাতে লিলুয়া থানায় ফোনে এই অভিযোগ পেয়ে রাজ্যের সব থানাকে গাড়ির নম্বর দিয়ে সতর্ক করে দেওয়া হয় | রাজ্য পুলিশের সক্রিয়তায় মুর্শিদাবদে পৌঁছেই সেই গাড়ি আটক করে ফেলে উদ্ধার করা হয় মা ও মেয়েকে |
কিন্তু কেন এই অপহরণ তা নিয়ে মুখ খোলেনি অপহরণকারী বাবা| ইতিমধ্যেই লিলুয়া থানার পুলিশ মামলা শুরু করেছে| নিজের স্ত্রী ও শিশু কন্যাকে অপহরণ করে গাড়িতে তুলে পালাতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে গেল স্বামী ও তার সঙ্গীরা। শিশুকন্যা সহ উদ্ধার হয়েছেন ওই গৃহবধূ। সোমবার রাতে ওই ঘটনা ঘটে হাওড়ার লিলুয়ায়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে লিলুয়া থানায় আসা একটি ফোনে পাওয়া খবরের সূত্রে পুলিশ জানতে পারে এক মহিলা ও তার কন্যাকে কয়েকজন জোর করে একটা গাড়িতে তুলে নিয়ে গেছে। সেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ জানতে পারে কোনা তেঁতুলতলার বাসিন্দা সুনিতা ববি যখন রাত প্রায় সাড়ে আটটা নাগাদ তার কন্যাকে(১০) নিয়ে প্রাইভেট টিউশানি পড়িয়ে ফিরছিলেন, সেই সময়ে ওই মহিলার স্বামী সহ কয়েকজন জোর করে ওই মহিলাকে ও তার কন্যাকে একটি সাদা বোলেরো গাড়িতে তুলে চম্পট দেয় ।
হাওড়া সিটি পুলিশের পক্ষ থেকে সঙ্গে সঙ্গেই গাড়িটির বিবরণ সহ যাবতীয় তথ্য রাজ্যের সব থানায় জানিয়ে দেওয়া হয়। সেই তথ্য পেয়েই গভীর রাতে মুর্শিদাবাদের লালগোলা থানা ওই গাড়িটিকে আটক করা হয় এবং ওই মহিলা ও তার কন্যাকে পুলিশ উদ্ধার করে। ধৃতদের হাওড়ায় নিয়ে আসতে মঙ্গলবারই হাওড়া সিটি পুলিশের একটি দল লালগোলার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে বলে হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসি নর্থ প্রবীণ প্রকাশ জানিয়েছেন ।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার