বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-য়ের বিরুদ্ধে পোস্টারে গোটা বিষ্ণুপুর শহর ছয়লাপ। সৌমিত্র খাঁ সম্পর্কে নানান অভিযোগ করে পোস্টার পড়ল বিষ্ণুপুরে। বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা কার্যালয়ের সামনেও পোস্টার সাঁটানো হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হতে বেশি সময় লাগেনি।
কী রয়েছে এই পোস্টারে?
এই পোস্টারে কোথাও লেখা “টিকিট বিক্রির কান্ডারি সৌমিত্র খাঁকে দূর হটাও”। আবার কোনওটিতে লেখা, “বিষ্ণুপুরের জনগণ বিরোধী সৌমিত্র নিপাত যাক”। কোথাও আবার এই পোস্টারে দিয়ে লেখা, “১০ বছরের অবসান চাই, সৌমিত্র দালালের বিদায় চাই”।
এই পোস্টারে এও অভিযোগ করা হয়েছে যে জেলার একাধিক পঞ্চায়েত, বিধানসভা নাকি সাংসদের জন্যই হাতছাড়া হয়েছে। তবে কে বা কারা এই পোস্টার লাগিয়েছে তার কোনও উল্লেখ নেই পোস্টারে। তাতে শুধু লেখা রয়েছে, “বিষ্ণুপুরের শুভবুদ্ধি সম্পন্ন শিক্ষিত অনুশাসিত জনগণের তরফ থেকে”।
রবিবাসরীয় সকালে এমন সব পোস্টার নিয়ে শাসক ও বিরোধীর মধ্যে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপির দাবী, এই পোস্টার আসলে তৃণমূল চক্রান্ত করে লাগিয়েছে। হেরে যাওয়ার ভয়ে এমন পোস্টার লাগিয়েছে তারা। গেরুয়া শিবিরের দাবী, এসব করে বিষ্ণুপুর লোকসভা ভোটে কোনও সমস্যা হবে না।
আবার তৃণমূলের পাল্টা দাবী, এই পোস্টার প্রমাণ করছে যে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ঠিক কোন জায়গায় পৌঁছেছে। ঘাসফুল শিবিরের দাবী, বিজেপি সাংসদ কাজ করেন নি, সেই কারণেই দলের নিচুতলার কর্মীরা পোস্টার দিয়ে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
এই বিষয়ে কী বলছেন সৌমিত্র খাঁ নিজে?
এই পোস্টার প্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদ বলেন, “সকালবেলায় বছরের শেষ দিনে চা খাচ্ছি। খুব ভাল লাগছে। যাঁরা এগুলো করছে তাঁদের উদ্দেশে বলি, বিজেপি বাংলায় ৩৫টা সিট পাবে। নিশ্চিন্তে থাকুন। ভারতবর্ষে রামমন্দির তৈরি হচ্ছে। সবাইকে শুভেচ্ছা, ভালো থাকবেন”।





