বাবুল নবান্ন ছাড়ার পর হঠাৎই সেখানে হাজির প্রশান্ত কিশোর, মমতা-অভিষেকের সঙ্গে চলল গোপন বৈঠক

আজ, সোমবার নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ সারেন সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া বাবুল সুপ্রিয়। তাঁকে সেখানে নিয়ে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বাবুল সেখান থেকে বেরিয়ে আসতেই নবান্নে হাজির হন ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর। মমতা ও অভিষেকের সঙ্গে একান্ত বৈঠকও করেন তিনি।

কিন্তু হঠাৎ কেন তাঁর আগমন? আর কেনই বা এই একান্ত বৈঠক? এই প্রশ্নই এখন নবান্নে ঘুরপাক খাচ্ছে। এই প্রশ্নের কোনও উত্তর না দিয়েই নবান্ন থেকে সোজা মমতা চলে যান ভবানীপুরের শীতলা মন্দিরে। সেখানেও তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাদের মধ্যে কোনও গভীর আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

আরও পড়ুন- ‘আমাদের বাঁচান, দয়া করে একবার দেখা করুন’, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন অস্থায়ী শিক্ষকদের

আজ, নবান্নে তৃণমূল সুপ্রিমোর সঙ্গে দেখা করতে যান বাবুল সুপ্রিয়। সঙ্গে ডেরেক ও ব্রায়েনও ছিলেন। বাবুল ও ডেরেক বেরোনোর পর আসেন প্রশান্ত। সূত্রের খবর অনুযায়ী, বাবুল জানিয়েছেন যে আরও অনেকেই নাকি তৃণমূলে আসতে চাইছেন। সেই নামের সঙ্গে অভিষেকের কাছে থাকা নামের তালিকা মিলিয়ে নেওয়া হয়। এদিকে ভবানীপুর উপনির্বাচন নিয়ে বিজেপি যে গোপন ছক সাজিয়েভছে, তা তুলে ধরেন প্রশান্ত কিশোর।

তাদের মধ্যেকার বৈঠকে ত্রিপুরা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভবানীপুর নিয়ে মমতাকে আশ্বস্ত করেছেন প্রশান্ত কিশোর। সূত্রের খবর অনুযায়ী, বাবুলের পর এবার অন্য কাউকে দলে নেওয়ার বিষয়ে এখন থেমে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রশান্ত, এমনই জানা যাচ্ছে। ৩০শে সেপ্টেম্বর উপনির্বাচন মিটলে ও ভোটের ফলাফলের পড় এই নিয়ে আলোচনা হবে বলে স্থির করা হয়েছে।

সূত্রের খবর, এদিকে ত্রিপুরার পাশাপাশি অসম ও উত্তরপ্রদেশ নিয়েও নবান্নে কথাবার্তা হয়েছে। ইডি, সিবিআই যেভাবে নানান মামলা নিয়ে শাসলদলের পিছনে হাত ধুয়ে পড়েছে, তা কীভাবে লড়া যায়, তা নিয়েও এদিন আলোচনা হয়েছে নবান্নে এমনটাই খবর।

আরও পড়ুন- ফের টর্নেডো রাজ্যে! ঝড়ের দাপটে কয়েক মুহূর্তের মধ্যে লণ্ডভণ্ড গঙ্গাসাগরের কপিলমুনি আশ্রম সংলগ্ন এলাকা

এও জানা গিয়েছে যে উপনির্বাচনের পর মন্ত্রিসভার রদবদল ঘটাতে পারেন মমতা। অনেকেরই ধারণা ছিল যে বাবুলকে হয়ত রাজ্যসভার সাংসদ করা হবে। তবে এখন শোনা যাচ্ছে যে বাবুলকে রাজ্যের মন্ত্রী করাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে তাঁকে কোনও এক কেন্দ্র থেকে জিতিয়ে আনতে পারে তৃণমূল।

RELATED Articles