হাত দেওয়া যাচ্ছে না পাতিলেবুতে, মুরগির দামও বাড়ছে চড়চড়িয়ে, বাজারে আগুন দামের ঠেলায় নাভিশ্বাস উঠছে জনসাধারণের

রবিবার বা ছুটির দিনে সরু চালের ভাত, তার সঙ্গে পাতিলেবু সহযোগে পাতলা করে একটু মুরগির ঝোল, তা পেটে চালান করার মধ্যে যে এক স্বর্গীয় সুখ রয়েছে, তা তো আর অমান্য করা যায় না। কিন্তু তা এখন অতীত।

পাতিলেবুর দামের চোটে তো পাতে লেবু পড়া আগেই বন্ধ হয়েছে। আর এবার মুরগির দামও যে হারে দিনদিন বেড়ে চলেছে, তাতে গরমের মধ্যে হালকা-পাতলা মুরগির ঝোল কতদিন জুটবে, সেই সংশয় এখন মধ্যবিত্তের মাথায় ঘুরছে।

গত কয়েক মাস ধরেই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব বুঝতে পারছেন মধ্যবিত্তরা। চাল, ডাল, তেল, জ্বালানি, সবই আগুন। আর এবার বাড়তে শুরু করেছে মুরগির দামও। পাল্লা দিয়ে তো বাড়ছেই শাকসবজির দাম। ফলে কোন জিনিসটা আদৌ জীবন নির্বাহের জন্য কেনা যায়, সেই চিন্তায় জেগেছে সকলের মনে।

এই মুহূর্তে সরকারি ন্যায্য মূল্যের দোকানে মুরগির মাংসের দাম প্রতি কেজি ২২৫ টাকা। আর খোলা বাজারে তা বিকোচ্ছে ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা প্রতি কেজি। পাইকারি বাজারে মুরগির মাংসের দাম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। এমনিতেই গরমের সময় খাসির মাংস একটু এড়িয়েই চলেন সকলে, কিন্তু মুরগির মাংসের দামও যদি এভাবে বাড়ে, তাহলে আর জুটবে কী!

সব মিলিয়ে জিনিসপত্রের আগুন দামের জেরে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় মধ্যবিত্তের। অন্যদিকে, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির জেরে পাতিলেবুর দামও চড়চড়িয়ে বেড়েছে। এক একটি লেবু বিকোচ্ছে ৬-১৪ টাকায়। ফলে প্রচণ্ড গরমে বাইরে থেকে এসে বা কাজের ফাঁকে পাতিলেবুর শরবতে চমুক দেওয়াও এখন যেন দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে উঠেছে মধ্যবিত্তের কাছে। এদিকে আবার বাজারের একাংশের মতে, খুব শীঘ্র এই পরিস্থিতি থেকে রেহাই হয়ত মিলবে না।

RELATED Articles