রবিবাসরীয় সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েই রীতিমতো প্রচার শুরু করে দিয়েছিলেন তিনি। আজ, সোমবার দেবেন মনোনয়ন জমা। গতকাল, রবিবারই পৌঁছেছিলেন ভোট পরবর্তী হিংসায় নিহত কাঁকুড়গাছির বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের বাড়িতে। সেখানে অভিজিৎ-এর শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। সেখানেই বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে ন্যায় না পাওয়া পর্যন্ত তারা তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
গতকাল, রবিবার প্রচারে বেরিয়ে ‘হেভিওয়েট’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়া প্রসঙ্গে বিজেপি প্রার্থী বলেন, “ওঁর ওয়েট আছে, তাই তিনি হেভিওয়েট। চিকিৎসক তো ওঁকে হাঁটার পরামর্শ দিয়েছেন”। তাঁর এই কথার মধ্যে যে আত্মবিশ্বাসের ঝাঁঝ ছিল, তা আর বুঝতে বাকী রইল না কারোরই।
মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিপক্ষ হয়ে লড়বেন তিনি। তবে এই বিষয়ে বিশেষ আমল দিতে রাজী নন প্রিয়াঙ্কা। বরং তিনি বলেন, “জয় নিয়ে আমি পুরোপুরি আশাবাদী কারণ আমি মানুষের জন্য লড়াই করছি। বিধানসভা নির্বাচনে খুনের খেলা খেলেছে ওরা। এবারও যদি তাই করে তাহলে তো গণতন্ত্রের কোনও মানে হয় না। এই সরকার খুনীদের সাপোর্ট করেছে। এর প্রতিবাদে আওয়াজ তুলতে হবে”।
আরও পড়ুন- বিজেপি করার অপরাধে চরম অত্যাচার, মারধর, আদালতে শুনানির সময় লকআপেই আত্মহত্যার চেষ্টা বিজেপি কর্মীর
২০১৪ সালে বিজেপিতে যোগ দেন আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। বাবুল সুপ্রিয়র আইনি পরামর্শদাতা ছিলেন তিনি। একুশের নির্বাচনে এন্টালি থেকে বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়ান প্রিয়াঙ্কা। কিন্তু সেখানে প্রায় ৫৮ হাজার ভোটে তৃণমূল প্রার্থী স্বর্ণকমল সাহার কাছে হেরে যান তিনি। তবে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সিবিআই তদন্তের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন তিনি। হাইকোর্ট তাতে মান্যতা দেয়।
প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা হওয়ার পর প্রিয়াঙ্কা এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে জানান, “আমি তিন চার মাস আদালতে লড়েছি। আমার আত্মবিশ্বাস সবাই দেখেছে। আমার যে আত্মবিশ্বাস আছে, তা আমি প্রমাণও করে দিয়েছি। তবে এটাকে স্রেফ আমি লড়াই হিসাবে দেখছি না। আমার লড়াই হচ্ছে ন্যায় অন্যায়ের! আমি ন্যায়ের জন্য লড়ছি”।






