আকাশে-বাতাসে এখন শুধু আগমনীর সুর। চারদিকে পুজোর আমেজ। বছর ঘুরে ফের উমা ফিরেছেন মর্ত্যে। প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে কারণ আজ যে মহাপঞ্চমী। কিন্তু তাও মনের কোণে যেন জমাট বেঁধেছে এক আশঙ্কা। পুজোর মধ্যে বৃষ্টি হয়ে সব ভেস্তে যাবে না তো?
কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস?
আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, রবিবার অর্থাৎ অষ্টমী পর্যন্ত আকাশ একাবারে পরিষ্কার থাকবে। কোথাও কোথাও হালকা মেঘলা আকাশ থাকলেও বৃষ্টি হবে না। তবে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ঘনীভূত হওয়ার কারণে নবমী ও দশমীতে হতে পারে বৃষ্টি।
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, এই মুহূর্তে রাজস্থান ও পূর্ব বাংলাদেশে রয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। তা অবস্থান করছে দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান সাগর এলাকায়। এই ঘূর্ণাবর্ত শক্তিশালী হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তা ধীরে ধীরে সরে আসবে উত্তর-পশ্চিমে। আর তা মধ্য বঙ্গোপসাগরে এসে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। এর জেরেই নবমী ও দশমীতে হতে পারে বৃষ্টি।
কেমন থাকবে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া?
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, দক্ষিণবঙ্গের দু-এক জায়গায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ ক্রমশ কমতে থাকবে। বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব কম। দিনের ও রাতের তাপমাত্রাও কিছুটা কমতে পারে। জেলাগুলিতে হালকা শীতের সামান্য অনুভূতি হতে পারে।
রবিবার পর্যন্ত শুকনো থাকলেও সোম ও মঙ্গলবার অর্থাৎ নবমী এবং দশমীর দিন হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুর। তবে নবমী-দশমী বৃষ্টি হলেও অষ্টমীতে রোদ ঝলমলে আকাশ থাকছে। সোমবার অর্থাৎ নবমীর বিকেল বা রাতে এবং মঙ্গলবার দশমীর দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা কলকাতায়। তার আগে বৃষ্টির সম্ভবনা নেই।
উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার কী খবর?
জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গেও ক্রমশ বৃষ্টির সম্ভাবনা কমবে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টা পর থেকেই উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি কমে যাবে। উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকা ছাড়া বাকি অংশে বৃহস্পতিবার থেকেই শুষ্ক আবহাওয়া। আগামীকাল ষষ্ঠী থেকে পুজোর কয়েকটা দিন পরিষ্কার আকাশ শুকনো ও মনোরম আবহাওয়া থাকবে। বৃষ্টির সম্ভাবনা তেমন নেই।





