বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির হারের পর বেশ কিছু তৃণমূলত্যাগী নেতারা ফের তৃণমূলে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এবার কী তাহলে সেই তালিকায় নাম লেখালেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও? অন্তত, তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট সেরকমই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিধানসভা নির্বাচনের আগেই দলের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে তৃণমূল ছাড়েন রাজীব। বিধানসভা থেকে বেরিয়ে আসার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিও সঙ্গে করে নিয়ে আসেন। এও বলেন যে, দিদি সর্বদা তাঁর হৃদয়েই থাকবেন। এরপরই গেরুয়া শিবিরে নাম লেখান তিনি।
আরও পড়ুন- বাংলার জন্য আশীর্বাদ চেয়েছি! অমিত শাহ’র সঙ্গে বৈঠক শেষে টুইট শুভেন্দু’র!
বিজেপির হয়ে ভোটের টিকিটও পান। ডোমজুড় বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়েন রাজীব। কিন্তু শিবির বদল কড়ায় জনগণের সমর্থনও হারান তিনি। হেরে যান ভোটে। এবার তাঁর নতুন পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা। এই পোস্টের মাধ্যমে তিনি নিজের দল বিজেপিকেই পরোক্ষভাবে আক্রমণ করেন। উগড়ে দেন একরাশ ক্ষোভ।
ঠিক কী লিখেছেন রাজীব?
“সমালোচনা তো অনেক হল। মানুষের বিপুল জনসমর্থন নিয়ে আসা নির্বাচিত সরকারের সমালোচনা ও মুখ্যমন্ত্রীর বিরোধিতা করতে গিয়ে কথায় কথায় দিল্লি আর ৩৫৬ ধারার জুজু দেখালে বাংলার মানুষ ভালভাবে নেবে না। আমাদের সকলের উচিত রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে ‘কোভিড ও ইয়াস’ এই দুই দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার মানুষের পাশে থাকা”।
নানান বিষয়ে রাজ্যের সমালোচনা করা ও প্রতি পর্যায়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরোধিতা করতে গিয়ে কেন্দ্র যেসমস্ত পদক্ষেপ নিয়েছে, তা যে ভুল, তাই-ই নিজের পোস্টের মাধ্যমে কার্যত স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন রাজীব।
আরও পড়ুন- দূরত্ব এখন অতীত! সিউড়ি পুরসভার বৈঠকে শতাব্দী, বৈঠক করলেন অনুব্রত’র সঙ্গেও
প্রসঙ্গত, এর আগেও দল ছেড়ে বিজেপিতে নাম লেখানো সোনালি গুহ ফের তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে মমতার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। ফের মমতার স্নেহতলে জায়গা পেতে চেয়েছেন। এছাড়াও ফের দলে ফেরার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন সরলা মুর্মু থেকে শুরু করে দীপেন্দু বিশ্বাস ও অমল আচার্যও। এবার কী তবে এদের দলে নাম লেখালেন রাজীবও? তা অবশ্য এখনই স্পষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না। তভে আজকের রাজীবের এই পোস্ট তাঁর তৃণমূলে ফেরার জল্পনাকে অনেকাংশেই আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।





