গত বেশ কিছু মাস ধরেই বঙ্গ রাজনীতির অন্দরে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে যে সৌরভ গাঙ্গুলি রাজনীতিতে আসছেন। অবশ্য তাঁর রাজনীতিতে আসা নিয়ে অখুশি শাসকদলের অনেকেই। কারণ মহারাজ যদি রাজনীতিতে আসেন, তবে তা গেরুয়া শিবিরেই, তা এতদিনে বেশ পরিষ্কার। তবে এই বিষয়ে স্পষ্ট কোনও মন্তব্য করেননি ভারতীয় ক্রিকেটের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি।
তবে গত ডিসেম্বরে রাজ্যপালের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ও তারপর দিন দিল্লিতে অমিত শাহ্’র সঙ্গে তাঁর মঞ্চ ভাগ করে নেওয়া, তাঁর রাজনীতিতে আসার জল্পনাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
এসবের মধ্যেই বেশ চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেন এক বিজেপি নেতা, যার জেরে সৌরভের রাজনীতিতে আসার বিষয়কে আরও বেশি উস্কে দিয়েছে। সৌরভের রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত বলেন, “রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে অনেক চমক রয়েছে। সৌরভ দলে যোগ দেবেন কী না, তা এখনই বলা যাবে না। তবে দলে যোগ দিলে তাঁকে সবসময় স্বাগত জানানো হবে। তবে তিনি মমতার বিপক্ষে লড়বেন কী না, এও সময়ই বলে দেবে”।
এর আগেও সৌরভের বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনার মধ্যেই আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বারলা বলেন, আগামী নির্বাচনে সৌরভের নেতৃত্বে লড়বে বিজেপি। তখন থেকেই এই বিষয়ে জল্পনা আরও বাড়ে।
তার উপর, গত বছরের আগস্ট মাসে সৌরভ হিডকোর কাছে নিউটাউনে সরকারের দেওয়া জমি ফিরিয়ে নেওয়ার আবেদন জানান। বেশ কিছুদিন পর তাঁর সেই অনুরোধ মেনে নিউটাউনের জমি ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় মন্ত্রিসভার পক্ষ থেকে। জমি ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেও হয় জলঘোলা। অনেকেই বলেন, মহারাজ বিজেপিতে যোগ দেবেন তাই রাজ্য সরকারের জমি ফিরিয়ে দিতে চান। তবে সৌরভ জানান অনেকগুলো বছর কেটে গেলেও এই জমিতে গরীবদের জন্য স্কুল বানানোর কাজ এগোতে পারেননি তিনি। এই কারণেই সেই জমি ফিরিয়ে নিতে সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন সৌরভ।





