নয় বছর আগে জানুয়ারির মাসের শেষের দিকে এরকম ঠাণ্ডা পড়েছিল। তারপর থেকে এবছর ফের। হাড় কাঁপানো শীতের জেরে জবুথবু রাজ্যবাসী। উত্তুরে হাওয়ার জেরে পড়েছে কনকনে শীত। ৩০শে জানুয়ারি এ মাসের শীতলতম দিন।
২০১৩ সালের ২৯ জানুয়ারি কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর গত বছরের ৩১ জানুয়ারি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.১ ডিগ্রি। আর এবারও গতকাল, শনিবার কলকাতায় রেকর্ড তাপমাত্রার পতন হয়। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামে ১২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। তবে আজ, রবিবার সকালে সেই রেকর্ডও ভেঙে দিল কনকনে উত্তুরে হাওয়া। তাপমাত্রা কমে দাঁড়াল ১১.৮ ডিগ্রিতে। এখনও পর্যন্ত কলকাতায় এটাই রেকর্ড পারদ পতন।
পশ্চিমাঞ্চল ও দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় দিন ১০ ডিগ্রির নিচেই ছিল তাপমাত্রা। আরও দু’দিন এই হাড় কাঁপানো শীত থাকবে। মঙ্গলবার থেকে ফের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে বলে জানা গিয়েছে। ৩রা ফেব্রুয়ারি থেকে উত্তর ও পশ্চিমের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতাতেও ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা।
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের খবর অনুযায়ী, আগামীকাল, সোমবার পর্যন্ত রাজ্যে হু হু করে উত্তুরে হওয়া ঢুকবে। এর জেরে জাঁকিয়ে শীত পড়বে। কিন্তু মঙ্গলবার থেকে হওয়ার গতি কিছুটা কমবে। ফলে বাড়বে তাপমাত্রা ও কমবে ঠাণ্ডাও
গতকাল, শনিবার এক ধাক্কায় অনেকটাই পারদ নেমেছে। এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে পাঁচ ডিগ্রি কম। আর জেরেই জানুয়ারির শেষে দিনভর ঠান্ডায় কাঁপছে রাজ্যবাসী। রোদ উঠতেই একেবারেই রেকর্ড ঠান্ডা এই সময়ে।
তবে দীর্ঘস্থায়ী হবে না এই শীত। খুব বেশি হলে আর দু’দিন। ফেব্রুয়ারির তিন-চার তারিখ করেই পশ্চিম ও উত্তরবঙ্গের জেলায় ও চার-পাঁচ তারিখ করে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলায় ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝাই এই বৃষ্টির কারণ।
এই বিষয়ে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা গণেশ কুমার দাস বলেন, “সোমবার পর্যন্ত এমনই জাঁকিয়ে ঠান্ডা থাকবে। তবে তারপর থেকে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে। চার ও পাঁচ তারিখ কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে”।





