সামনেই বিধানসভা উপনির্বাচন রয়েছে। এর আগেই কী তবে এবার রাজনীতিতে নামতে চলেছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত? জল্পনা তেমনই চলছে। আজ, সোমবার বিধানসভায় আসেন অভিনেত্রী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে একান্তে বৈঠক সারেন তারা। তবে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এই সাক্ষাৎকে যদিও ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’ই বলতে চেয়েছেন তিনি।
এদিন বিধানসভায় প্রয়াত মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের মরদেহ আনা হয়েছিল। রাজ্যের মন্ত্রীকে এদিন শেষ শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য বিশিষ্ট জনেরা। হাজির ছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তও। জানা গিয়েছে, সাধন পাণ্ডের মেয়ে শ্রেয়া পাণ্ডের বন্ধু হলেন অভিনেত্রী। সেই সূত্রে তাঁকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্যই বিধানসভায় উপস্থিত ছিলেন তিনি।
বিধানসভা থেকে বেরিয়ে অভিনেত্রী বলেন, “আমি প্রথমবার বিদানসভায় এলাম। দিদি বললেন, ভিতরে এসে একটু দেখে যেতে। ওঁরও আজ খুব মনখারাপ। অনেকদিন পর দিদির সঙ্গে দেখা হল, তাই বসে একটু কথা হল। আমাকে উনি খুব স্নেহ করেন। বললেন, তুমি এসেছ, ভালো করেছ”।
দলীয় প্রচারে কি তিনি অংশ নেবেন? এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ঋতুপর্ণা বলেন, “এনিয়ে কোনও কথা হয়নি”। মুখ্যমন্ত্রীর তরফেও এই সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে কিছু জানানো হয়নি।
রাজনীতির ময়দানে পা রাখার বিষয়টি অভিনেত্রী অস্বীকার করলেও জল্পনা কিন্তু থামেনি। সামনেই বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। প্রাক্তন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের অকাল মৃত্যুর কারণে এই আসনটি খালি রয়েছে। মার্চের শুরুতেই সেখানে ভোটগ্রহণ রয়েছে। এই কারণেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, ঋতুপর্ণা বালিগঞ্জ কেন্দ্রে প্রার্থী হতে পারেন। অথবা তিনি তারকা প্রচারকও হতে পারেন বলেও মনে করা হচ্ছে।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনের সময় একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রীকে দেখা গিয়েছে রাজনীতিতে যোগ দিতে। ভোটেও লড়েছেন অনেকেই। কেউ কেউ জিতেছেন তো কেউ আবার হারের মুখ দেখেছেন। এবার ঋতুপর্ণাও রাজনীতির দিকে পা বাড়ান কী না, এখন সেটাই দেখার।





