স্কুলের মধ্যেই পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীকে যৌ’ন হেনস্থার অভিযোগ উঠল স্কুলের দারোয়ানের বিরুদ্ধে। জোট করে বাথরুমে টেনে নিয়ে গিয়ে কুকীর্তি ঘটায় সে, এমনটাই অভিযোগ। ওই নাবালিকা চিৎকার করতে গেলে তার মুখ চেপে ধরে ভয় দেখানো হয়। এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই হইচই পড়ে যায়। গ্রেফতার করা হয়েছে ওই দারোয়ানকে।
কী ঘটেছিল ঘটনাটি?
ঘটনাটি ঘটেছে আজ, মঙ্গলবার কেষ্টপুরের এক সরকারি স্কুলে। প্রতিদিনের মতোই চলছিল ক্লাস। জানা গিয়েছে, ওই পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীরও ক্লাস চলছিল এদিন। এই সময় ক্লাসে প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস কম পড়েছিল। শিক্ষিকাই ওই ছাত্রীকে সেই সমস্ত কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেন।
সেই অনুযায়ী সেই কাগজপত্রই আনতে যাচ্ছিল ওই পড়ুয়া। সেই সময় স্কুলের বাথরুমের সামনে দাঁড়িয়েছিল ওই দারোয়ান। ওই পড়ুয়াকে ডাক দেয় সে। কিন্তু সে সেদিকে পাত্তা না দিয়ে চলে যেতেই তাকে জোর করে টেনে বাথরুমে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয় অভিযুক্ত। এরপর চলে নাবালিকার উপর অকথ্য যৌ’ন নির্যাতন। ওই ছাত্রী চিৎকার করতে গেলে তার মুখ চেপে ধরে দারোয়ান। এমনকি, কাউকে একথা না বলার ভয়ও দেখানো হয় বলে অভিযোগ।
গোটা ঘটনায় ভীষণরকম ভয় পেয়ে যায় ওই পড়ুয়া। সে তার এক বান্ধবীকে ঘটনাটির কথা জানায়। এই যৌ’ন হেনস্থার কথা পড়ুয়ার পরিবারের কানে যেতেই হইচই পড়ে যায়। বাগুইআটি থানায় অভিযোগ জানানো হয় দারোয়ানের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে।
কী জানাচ্ছে স্কুল?
এই ঘটনায় ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা জানাচ্ছেন, “যখন জানতে পেরেছি, সঙ্গে সঙ্গে আমি স্কুলে চলে এসেছি। যা ঘটেছে, আমি খুবই দুঃখিত। এটা কোনওভাবেই কাম্য নয়। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আমরা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি। আইন আইনের পথে চলবে। ওই ব্যক্তি যদি দোষ করে থাকেন, তাহলে উনি শাস্তি পাক। বিষয়টি জানতে পারার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ওই ব্যক্তিকে আমরা আর কাজে রাখব না”।





