শুভেন্দু অধিকারীকে সমর্থন করে তৃণমূলকে ফের হুঁশিয়ারি জারি করলেন তৃণমূল সাংসদ শিশির অধিকারী। হুংকার দিয়ে বলেন, “ছেলেকে আক্রমণ করলে ছেড়ে কথা বলব না”। এর মাধ্যমে তিনি এও বুঝিয়ে দিলেন যে নির্বাচনের সময় তিনি শাসকদলের হয়ে প্রচারে নামবেন না।
গত বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকেই দল বিমুখ হতে শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী। দলহীন কর্মসূচী করতে দেখা যায় তাঁকে। দলের প্রতীক বা মুখ্যমন্ত্রীর ছবি ছাড়াই নানান সভা, মিছিল করেন তিনি। সেই থেকেই জল্পনা শুরু হয় তাঁর দলত্যাগের। গুঞ্জন ওঠে শুভেন্দু হয়ত বিজেপিতে যোগ দেবেন। ডিসেম্বর মাসে দলত্যাগ করেন তিনি। এরপর জল্পনা সত্যি করে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন শুভেন্দু।
আরও পড়ুন- চমকে ভরা বিজেপির ব্রিগেড, ৭ই মার্চ বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন শতাব্দী রায়!!!
এরপর থেকেই তাঁর দিকে ধেয়ে আসতে থাকে নানান কুমন্তব্য ও অপবাদ। শুভেন্দুর উপর আক্রোশ থেকেই অধিকারী পরিবারের উপর শাসকদলের তোপ আসতে থাকে। প্রথমেই কাঁথির পুরসভার প্রশাসকের পদ থেকে সরানো হয় শুভেন্দুর ছোটো ভাই সৌমেন্দু অধিকারীকে। এরপর জেলা সভাপতি ও দিঘা শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের পদ থেকেও শিশির অধিকারীকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এই নিয়ে সরব জন শুভেন্দু। তবে শিশির অধিকারী বরাবর বলে এসেছেন যে মুখ্যমন্ত্রীর উপর তাঁর ভরসা আছে।
কিন্তু সেই ভরসাতেও এবার চিড় ধরেছে মনে হচ্ছে। শুভেন্দুকে বারবার তৃণমূলের পক্ষ থেকে নানাভাবে আক্রমণ করা হয়েছে। এর বিরুদ্ধে এবার রুখে দাঁড়ালেন শুভেন্দুর বাবা শিশির অধিকারী। হুংকার দিয়ে তিনি বলেন যে তাঁর ছেলের দিকে আক্রমণ এলে, তিনি তা বরদাস্ত করবেন না। পাশাপাশি এও বলেন যে, বাম-কংগ্রেসও এমন আক্রমণ করেই, যা তৃণমূল করেছে।
আরও পড়ুন- বড় চমক রাজ্য রাজনীতিতে, মোদীর ব্রিগেডেই মিমি চক্রবর্তীর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা প্রবল!!!
এদিন তাঁকে ভোট প্রচারে দেখা যাবে কী না, এই প্রশ্ন করা হলে তাঁর জবাব, “সম্প্রতি চোখ অপারেশন হয়েছে। এখন অনেকটাই সুস্থ রয়েছি। তবে ছেলেরা বাড়ি থেকে বারণ করেছে”। তাঁর এই কথা থেকেই স্পষ্ট যে একুশের নির্বাচনে ভোট প্রচারের জন্য তিনি রাস্তায় নামছেন না। ভোটের ঠিক আগেই শিশিরবাবুর এমন মন্তব্যে তাঁর দলবদলের ইঙ্গিতও ধরা পড়েছে। তিনিও এবার তাঁর দুই ছেলের মতোই গেরুয়া শিবিরে নাম লেখান কী না, এখন সেটাই দেখার।





