আজ শনিবার ১ জুন রয়েছে লোকসভা নির্বাচনের সপ্তম ও শেষ দফার ভোট। এদিন ভোট গ্রহণ চলছে রাজ্যের ৯ কেন্দ্রে। সকাল থেকেই রাজ্যের নানান প্রান্ত থেকে উঠে আসছে নানান অশান্তির ঘটনা। এরই মধ্যে ভোট দিতে গিয়ে এক বড় মন্তব্য করে বসলেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। রাজনীতি নিয়ে আর কোনও কথা বলবেন না তিনি, এমনটাই জানালেন তারকা নেতা। তবে কী রাজনীতি ছাড়ার পথে মিঠুন?
আজ শেষ দফার ভোটে নিজের এলাকায় ভোট দিতে যান মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। বেলগাছিয়ার দত্ত বাগান এলাকায় সাধারণ মানুষের মতোই লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেন তিনি। তবে তিনি ভোট কেন্দ্রে পৌঁছতেই তাঁকে দেখে উঠতে থাকে ‘চোর’ স্লোগান। তৃণমূল কর্মীদের ক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেওয়া হয় তাঁকে।
বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে মিঠুন চক্রবর্তীকে (Mithun Chakraborty)। তাদের বক্তব্য, সিপিএম, কংগ্রেস, তৃণমূলের থেকে সুবিধা নিয়েছেন মিঠুন। আর এবার তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন আরও সুবিধা পাবেন বলে। আবার এদিন ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে মিঠুনের বিরুদ্ধে।
এই বিষয়ে মিঠুন (Mithun Chakraborty) জানান, তিনি কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করতে চান না। তিনি এও জানান, “আমি কোনও সময়ে দু’টো কাজ একসঙ্গে করি না। আমার পার্টির অর্ডার ছিল ৩০ তারিখ পর্যন্ত। ৩০ তারিখ অবধি দলের নির্দেশ মেনে কাজ করেছি। আজ থেকে আমি আমার পেশায় ঢুকছি। শুধু সিনেমার কথা বলব আর রাজনীতির কথা বলব না”। তাঁর এই মন্তব্য থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তাহলে কী এবার রাজনীতি ছাড়তে চলেছেন বিজেপি নেতা?
এই বিষয়ে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কটাক্ষের সুরে বলেন, “ভোটের হাওয়া বুঝে গেছেন তিনি, তাই সরে যাচ্ছেন”। তাঁর কথায়, বিজেপির বিদায় হচ্ছেই, এটা কেউ আটকাতে পারবে না। আমি মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখেছি, আর তৃণমূলের পক্ষে তারা ভোট দেবেন। দায়িত্ব নিয়ে বলছি বিজেপির বিদায় আসন্ন”।
অন্যদিকে, এই ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল প্রার্থী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আগে চলে গেলেই ভাল হত। বাংলাতে যারা আসেন তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষমতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হয়ে আসুন। তাহলে তাঁরা মন্তব্য করতে পারবেন। ঠিকভাবে এবং ভাষণে ও ভালভাবে মানুষের মন স্পর্শ করতে পারবেন। আনাড়ির মত মমতাকে গালাগাল দিলাম উল্টো পাল্টা বললাম,তাতে মানুষের সমর্থন পাওয়া যাবে না”।





