বছর গড়ালেই বিধানসভা ভোট, সেই দিকেই এখন প্রধান লক্ষ্য রাজনৈতিক দলগুলি। বাংলায় একদিকে যেমন তৃণমূল সরকার ফের তার ঘাঁটি জমাতে উদ্যোগী, তেমনি অন্যদিকে বিজেপি সরকার বাংলায় পদ্ম ফোটানোর দায়িত্ব নিয়েছে। শাসকদলের দুর্নীতি, হিংসাকে হাতিয়ার করে বাংলার মানুষের সান্নিধ্যে আসার চেষ্টা চালাচ্ছে গেরুয়া শিবির। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দু’দিনের বাংলা সফরে এসেছেন। তার এই উদ্যোগকে মোটেই ভালো চোখে দেখছে না শাসকদলের কেউই। অমিত শাহকে কটাক্ষ করে টলি অভিনেতা ও তৃণমূল নেতা সোহম চক্রবর্তী বলেন, অমিত শাহের জন্যই আদিবাসীদের মধ্যে ক্রাইম বেড়েছে।
https://twitter.com/myslf_soham/status/1324285310776193024?s=20
বাংলায় পদ্মের ঘাঁটি গড়তে সবরকম প্রয়াসই যে করছে বিজেপি, তার প্রমাণ ইতিমধ্যেই মিলেছে। এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও বাংলার সফরে এসে দলকে আরও শক্তিশালী করার কাজে নেমে পড়েছেন। বাঁকুড়ার সভা থেকে তিনি বলেন, “একবার বিজেপিকে সুযোগ দিন, আমরা সোনার বাংলা গড়ে দেব”। শুধু এখানেই থেমে থাকেন নি তিনি। মোদী সরকারের অনেক প্রকল্পের সুযোগই যে মমতা সরকার বাংলার জনগণকে পেতে দিচ্ছেন না, এও নিজের বক্তব্যে সাফ জানিয়ে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তার এই কার্যকলাপের ঘোর বিরোধিতা করেছেন শাসকদল। অমিত শাহকে দেগে সোহম চক্রবর্তী টুইট করেন, “২০১৮ সাল থেকে অমিত শাহের নেতৃত্বে আদিবাসীদের উপর হিংসা ও ক্রাইম ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে”। এরই সঙ্গে সোহম ‘বাংলা বিরোধী অমিত শাহ’ লিখে হ্যাশট্যাগও দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, অমিত শাস রাজ্যে আসতেই ঘাসফুল শিবিরের নেতারা সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাপক বিরোধিতা করতে শুরু করেছেন। সাংসদ-অভিনেত্রী নুসরত জাহানও এদিন টুইট করে লেখেন যে অমিত শাহ মিথ্যেবাদী। তিনি দেশের মানুষকে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন কিন্তু বাংলার মানুষ তার এই মিথ্যেতে গলবে না।





