গরু পাচার কাণ্ডে গত বৃহস্পতিবার সিবিআই গ্রেফতার করেছে বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে। এর প্রতিবাদে এবার শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরিরর হাট বন্ধ রাখা হল একদিনের জন্য। ব্যবসায়ীদের এহেন সিদ্ধান্ত নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। এই নিয়ে তোপ দাগতে কসুর করেনি বিজেপি।
শান্তিনিকেতনে সোনাঝুরির জঙ্গলে খোয়াই হাট। এই সম্পর্কে কে না জানে! প্রতিদিন এই হাট বসলেও প্রতি শনিবার বেশ বড় আকারে বসে এই হাট। আগমন হয় প্রচুর মানুষের। লক্ষ লক্ষ টাকার হস্তশিল্প, গয়না, পোশাক বিক্রি হয় এই হাটে। গত বৃহস্পতিবার গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। সেই প্রতিবাদে তাই আজ হাট বন্ধ রাখার ঘোষণা করা হয়। হাটে মাইক নিয়ে ঘোষণা করা হয় যে অনুব্রত মণ্ডলের জন্য শিল্পীরা এই হাট থেকে রোজগার করতে পারেন। তাঁকে অনৈতিকভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই প্রতিবাদে তাই সোনাঝুরির হাট বন্ধ রাখা হবে একদিনের জন্য।
সোনাঝুরির হাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ব্যবসায়ীরা নেননি বলেই মনে করছেন বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, “গোমাতা হরণকারী শ্রীঘরে যাওয়ার প্রতিবাদে বোলপুরে থিফ ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি (টিএমসি)র আজ মিছিল, তাই শান্তিনিকেতনের বিশেষ ঐতিহ্যবাহী সোনাঝুরির হাট আজ বন্ধ করে দেওয়া হল!!! অর্থাৎ আবার গরিব মানুষগুলোর পেটে লাথি!!! একদিনের কেনাবেচা বন্ধ
বলে রাখি, গত ২২শে জুলাই এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতির জেরে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। চলে তল্লাশি। এদিন রাতেই পার্থ-ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় ২১ কোটির বেশি টাকা। পার্থ ও অর্পিতা, দু’জনকেই গ্রেফতার করে ইডি। আপাতত আদালতের নির্দেশে প্রেসিডেন্সি জেলে ঠাঁই হয়েছে পার্থর।
এদিকে, গত বৃহস্পতিবার বোলপুরে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। গরু পাচার মামলায় তাঁকে একাধিকবার তলব করা হলেও হাজিরা দেন নি তিনি। এদিন বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় অনুব্রতকে। গতকাল বিকেলেই আসানসোলের সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তোলা হয় বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতাকে। আদালত তাঁকে ১০ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেয়।





