আজ, শুক্রবার বিজেপির সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন মুকুল রায়। ২০১৭ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন মুকুল। তাঁর সেই যাত্রাপথ শেষ হল ২০২১-এ এসে। এরপর ‘ঘর ওয়াপসি’ করবেন মুকুল। তৃণমূলেই ফিরে যাবেন। ইতিমধ্যেই তৃণমূল ভবনের উদ্দেশ্যে রওনাও দিয়ে দিয়েছেন তিনি।
এও জানা গিয়েছে যে তৃণমূলে যোগ দিয়ে নিজের বিধায়ক পদ ছাড়বেন মুকুল। কিন্তু কেন? সূত্রের খবর অনুযায়ী, রাজ্যসভার সাংসদ হতে চলেছেন মুকুল। মুকুলের বিজেপি থেকে এই বিদায় নিয়ে কার্যত হইচই পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।
আরও পড়ুন- তৃণমূলের রাজ্যসভার সংসদ পদে বসতে চলেছেন মুকুল রায়
যে মুকুল রায় একসময় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আসেন, এমনকি, যাকে অনুসরণ করে পরবর্তীকালে আরও অনেক হেভিওয়েটরা বিজেপিতে যোগ দেন, তিনি নিজেই টিকতে পারলেন না বিজেপিতে। এরপর ফের একবার তাঁকেই অনুসরণ করে ফের তাঁর অনুগামীরা তৃণমূলে ফেরেন কী না, সেই নিয়েও চলছে জল্পনা।
এসবের মাঝে মুকুলের বিজেপি ছাড়া নিয়ে প্রথম প্রতিক্রিয়া জানালেন বিজেপির যুব সভাপতি ও সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। আপাতত তিনি বাংলার বাইরে, দিল্লিতে রয়েছেন সৌমিত্র। সেখানে বসেই মুকুলের দলছাড়া নিয়ে একটি পোস্ট করলেন তিনি।
নিজের সমস্ত ক্ষোভ উগড়ে সৌমিত্র লেখেন, “আগামীকাল যমুনা নদীর তীরে মস্তক মুণ্ডন করে নিজের পাপ খণ্ডন করব। মুকুল রায়কে দ্রোণাচার্য বা চাণক্য এবং রাজনৈতিক গুরু বলা আমার পাপ হয়েছিল। তাই সনাতন ধর্মকে রক্ষা করতে আমি মস্তক মুণ্ডনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দেখা হবে বাংলায়”।
আরও পড়ুন- ঘাসফুলে যোগ দেওয়ার পদ্মফুলের বিধায়ক পদ ছেড়ে দেবেন মুকুল, দাবী মুকুল ঘনিষ্ঠমহলের
আসলে, মুকুল রায়কে নিজের গুরু বলেই মনে করতেন সৌমিত্র। মুকুল রায় রাজনীতিবিদ হিসেবে যথেষ্ট বিচক্ষণ একজন মানুষ। এই কারণেই তাঁর প্রতি আলাদাই শ্রদ্ধা ছিল বিজেপি সাংসদের। এই কারণেই মুকুলের দলত্যাগের সিদ্ধান্তে তিনি বেশ মনঃক্ষুণ্ণ হয়েছেন বলা যেতে পারে।





