আজই বিজেপির সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন মুকুল রায়। এরপর তৃণমূল ভবনের উদ্দেশ্যে রওনাও হয়ে গিয়েছেন তিনি। পুত্র শুভ্রাংশু-সহ আজই তৃণমূলে যোগ দেবেন তিনি, এমনটাই শোনা যাচ্ছে।
এও শোনা গিয়েছে যে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর বিজেপির বিধায়ক পদ ছাড়বেন মুকুল। কিন্তু বিজেপির ৭৫জন বিধায়কের মধ্যে তিনি যদি একা পদ ছাড়েন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে দলত্যাগী আইন প্রযুক্ত হতে পারে। তাহলে প্রশ্ন, মুকুল এত বড় একটি ঝুঁকি নেবেন কেন?
আরও পড়ুন- ঘাসফুলে যোগ দেওয়ার পদ্মফুলের বিধায়ক পদ ছেড়ে দেবেন মুকুল, দাবী মুকুল ঘনিষ্ঠমহলের
সূত্রের খবর অনুযায়ী, মুকুল রায়কে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদঙ্ক্রতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপাতত রাজ্যসভায় দুটি আসন ফাঁকা রয়েছে। একটি দীনেশ ত্রিবেদীর ও অন্যটি মানস ভুঁইয়ার। সেই আসনেরই একটি তে বসতে পারেন মুকুল ও অন্যটি পেতে পারেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশবন্ত সিনহা।
আজ, শুক্রবার মুকুলের সঙ্গেই তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা তাঁর পুত্র শুভ্রাংশু রায়ও। এছাড়াও যোগ দিতে পারেন মুকুল-ঘনিষ্ঠ ছাত্রনেতা সুজিত শ্যামও। মুকুলের পর তাঁর ঘনিষ্ঠ সব্যসাচী দত্তও তৃণমূলে যেতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হচ্ছে। তবে এই জল্পনা খুব একটা উড়িয়েও দিচ্ছেন না তৃণমূলের লোকজন।
আরও পড়ুন- আজই তৃণমূলে যোগ দেবেন মুকুল রায়! কালীঘাটে সাক্ষাৎ মমতার সঙ্গে, এরপর গন্তব্য তৃণমূল ভবন
বিগত কয়েকদিন ধরেই বিজেপির সঙ্গে মুকুলের দুরত্ব লক্ষ্য করা গিয়েছিল। নিজের অনুগামীদের নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করছিলেন মুকুল। তিনি বলেছিলেন যে তিনি আর বিজেপিতে থাকতে চান না। তাঁর ঘনিষ্ঠদের উদ্ধৃত করতে গেলে মুকুল বলেছিলেন, “এই দলটা (বিজেপি) আর করা যাবে না”। এবার আজ বাস্তবেও বিজেপির সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন হল মুকুলের। তৃণমূল ভবনে আজকের বৈঠকে মুকুলের তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় সিলমোহর পড়বে।





