মিড ডে মিল নিয়ে বিতর্ক কম নয়। একাধিক বার মিড ডে মিলের জন্য রান্না করা খাবারে মিলেছে মরা সাপ-টিকটিকি-কেঁচো। খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে, এমন পড়ুয়ার সংখ্যাও কম নয়। সেই কারণে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। এর আগেই রাজ্যের স্কুলগুলিতে নজরদারির সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার।
জানা গিয়েছে, আগামী ২০শে জানুয়ারি পর্যন্ত মিড ডে মিলের পরিষেবা ঠিকঠাক দেওয়া হচ্ছে কী না, খাবারে কোনও সমস্যা হচ্ছে কী ন, তা কড়াভাবে নজর রাখবেন ডিআই, এসআইরা। শিক্ষা দফতরের তরফে স্কুলগুলিকে একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্কুলগুলিকে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তা হল-
- স্কুল চত্বর পরিষ্কার রাখতে হবে।
- মিড ডে মিলের স্টোর রুম পরিষ্কার রাখতে হবে।
- যাঁরা রান্না করবেন, নির্দিষ্ট ইউনিফর্ম পরতে হবে।
- পুষ্টি বরাদ্দে নজর দিতে হবে।
বারবার শিশুদের খাদ্যে মিলেছে সাপ, টিকটিকি, কেঁচো। এই নিয়ে রাজ্যের শিক্ষা দফতরকে বারবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। এমন ঘটনা কেন বারবার ঘটছে, তা খতিয়ে দেখতেই রাজ্যে আসছেব কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। তার আগেই তৎপরতা দেখা গেল রাজ্য সরকারের তরফে। নিজেদের গাফিলতি ঢাকতেই কী এমন নির্দেশ, উঠেছে প্রশ্নও।
প্রধানমন্ত্রী পোষণ শক্তি মিশনের কাজ কেমন চলছে, তা খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। পুষ্টিবিদ, কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা ছাড়াও রাজ্যের আধিকারিকরাও থাকবেন এই দলে। বিগত কয়েকদিনে মিড ডে মিল নিয়ে নানান বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজ্যে।
এটাও বলে রাখা দরকার যে কিছুদিন আগেও মিড ডে মিলের জন্য বরাদ্দ বাড়িয়েছে রাজ্য সরকার। এবার থেকে মিড ডে মিলে পড়ুয়ারা পাবেন চিকেন ও মরশুমি ফলও।





