তৃণমূল নেতা শান্তনু সেনের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল রাজ্য সরকার, আর জি কর কাণ্ডে সুর চড়ানোর শাস্তি?

বিগত কয়েকদিন ধরেই তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ শান্তনু সেনকে নিয়ে বেশ আলোচনা হতে দেখা গিয়েছে। আর জি কর কাণ্ডের সময় থেকেই আরও বেশি চর্চায় উঠে এসেছেন শান্তনু। দলের সঙ্গে কী সত্যিই তাঁর দূরত্ব বেড়েছে, এখন সেই প্রশ্নই রাজনৈতিক মহলে। এরই মধ্যে এবার শান্তনু সেনের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নিল রাজ্য সরকার যা নিয়ে ফের শুরু চর্চা।

নানান সময়ই নানান বিষয় নিয়ে মন্তব্য করে থাকেন শান্তনু সেন। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে টিকিট না পেয়ে বেশ ‘কান্নাকাটি’ও করেছিলেন তিনি। সেই সময় মনে করা হচ্ছিল তিনি হয়ত দলবদল করতে পারেন। তবে তেমনটা না হলেও দলের বিরুদ্ধে নানান মন্তব্য করেছিলেন বটে। আর এবার সরিয়ে দেওয়া হল তাঁর নিরাপত্তায় থাকা দুই পুলিশ কর্মীকে।

আর জি কর কাণ্ড নিয়ে বেশ সুর চড়িয়েছিলেন শান্তনু। আর জি করের দুর্নীতির জেরে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ গ্রেফতার হওয়ার পরও নানান মন্তব্য করেছিলেন। সেই সময় হঠাৎই তাঁকে দলের মুখপাত্রের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পদ হারিয়ে আক্ষেপও শোনা গিয়েছিল তাঁর গলায়। আর এবার তাঁর নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হল।

কিছুদিন আগেই রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের সভাপতি তৃণমূলের বিধায়ক-চিকিৎসক সুদীপ্ত রায় রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল থেকে সরকারি প্রতিনিধি শান্তনু সেনকে পদ থেকে সরানোর জন্য স্বাস্থ্যভবনে চিঠি দিয়েছিলেন। শান্তনু মেডিক্যাল কাউন্সিলের বৈঠকে অনুপস্থিত থাকেন বলে অভিযোগ তুলে তাঁকে সেই পদ থেকে সরিয়ে এক্সদেওার আবেদন জানিয়েছিলেন সুদীপ্ত রায়। এই আবহেই এবার তাঁর নিরাপত্তা ছেঁটে ফেলা হল।

আরও পড়ুনঃ চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষাধিক টাকার প্রতারণা, অভিযোগের আঙুল তৃণমূল যুব সভাপতির দিকে, অস্বস্তিতে শাসক দলে 

যদিও এই বিষয় নিয়ে এখনও কিছু মন্তব্য করেন নি শান্তনু। তবে এর আগে তৃণমূলের মুখপাত্র হিসেবে পদ খোয়ানোর পর শান্তনু বলেছিলেন, “আমি আগেও যা বলেছি, এখনও তাই বলব। স্বাস্থ্য এত উন্নতি করার পরেও স্বাস্থ্য দফতরের সব খবর মুখ্যমন্ত্রীর কাছে যায় না। তবে প্রথম দিনের তৃণমূলের অনুগত কর্মী হিসেবে আগে যেমন কোনও সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নিয়েছি, আজও এই সিদ্ধান্ত শিরোধার্য”।

RELATED Articles