Suvendu Adhikari accused police and presiding officer for rigging in Diamond Harbour: গত শনিবার অর্থাৎ ১ জুন ছিল লোকসভা নির্বাচনের সপ্তম ও শেষ দফার ভোট। এদিন রাজ্যের ৯ কেন্দ্রে ভোট হয়েছে। এর মধ্যে ছিল ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রও। ভোটের দিন এই কেন্দ্র থেকে একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে। ভুয়ো এজেন্ট থেকে শুরু করে ছাপ্পা ভোট, নানা অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে এই কেন্দ্র থেকে। এবার রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে ওই কেন্দ্রে যে ছাপ্পা ভোট পড়েছে, তার প্রমাণ দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari accused police and presiding officer for rigging in Diamond Harbour)।
ডায়মন্ড হারবারে যে কারচুপি হয়েছিল, তার জন্য শুভেন্দু অধিকারি পুলিশ এবং প্রিসাডিং অফিসারকে অভিযুক্ত করেন (Suvendu Adhikari accused police and presiding officer for rigging in Diamond Harbour)
সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দু যে ভিডিওটি পোস্ট করেছেন (Suvendu Adhikari accused police and presiding officer for rigging in Diamond Harbour), তাতে একটি ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের ছবি দেখা গিয়েছে। দাবী, এটি ফলতা বিধানসভার ১৪৪ নম্বর বুথ। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, ওই বুথের সিসিটিভি ক্যামেরা ভোটদান কক্ষের উল্টোদিকে ঘোরানো রয়েছে। কেন এমনটা করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রিসাইডিং অফিসারদের প্রশ্ন করেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস।

এই ভিডিও পোস্ট শুভেন্দু লেখেন, “কয়লা ভাইপো ভয় পেয়েছে। তাই ভোটের দিন সমস্ত রকম অবৈধ উপায় প্রয়োগ করেছে সে। কুখ্যাত ডায়মন্ড হারবার মডেল ব্যবহার করে মমতা পুলিশ ও IAS সুমিত গুপ্তার সাহায্যে প্রায় ৪৫০ বুথে ভোট লুঠ করেছে। এখানে রইল একটা উদাহরণ” (Suvendu Adhikari accused police and presiding officer for rigging in Diamond Harbour)।
অভিষেকের নাম না করেই শুভেন্দু লেখেন, “এটা ফলতা বিধানসভার ১৪৪ নম্বর বুথ। এখানে সিসিটিভি ক্যামেরা অন্য দিকে ঘুরিয়ে চটি চাটা প্রিসাইডিং অফিসারের সাহায্যে অবাধে ভুয়ো ভোটদান চলছে। তিনি নিজের লোকসভা কেন্দ্রের জন্য এত কাজ করে থাকলে এসব অসদুপায় অবলম্বন করতে হচ্ছে কেন? কারণ তিনি জানানে, ভোট অবাধে হলে পায়ের তলার মাটি সরে যেতে পারে” (Suvendu Adhikari accused police and presiding officer for rigging in Diamond Harbour)।
বলে রাখি, গত শনিবার ডায়মন্ড হারবার থেকে একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে ভোট লুঠের। এমনকি, ভুয়ো এজেন্টও ধরা পড়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ডায়মন্ড হারবারে ভোটের নামে প্রহসন চলেছে সেদিন। নির্বাচন কমিশনও ছিল নির্বাক দর্শকের ভূমিকায়।





