মুখে নেই কোনও কষ্টের ছাপ, তৃতীয়বার ওপেন হার্ট সার্জারির পরও হাসিমুখে হাসপাতালের বেডে সাত বছরের খুদে, জানেন কে এই সাহসী শিশু?

Jimmy Kimmel: স্ক্রিনে তারকাদের অভিনয় মনোরঞ্জন করে দর্শকদের। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে তারা যে কতটা কষ্টে থাকে তা বুঝতে পারে না স্ক্রিনের ওপারের মানুষ। হ্যাঁ সমস্ত দুঃখ কষ্ট চেপে হাসিমুখে দর্শকদের মনোরঞ্জনে মনোনিবেশ করে তারা। ‌ ইচ্ছা না থাকলেও কাউকে বুঝতে দেন না সে কথা। অভিনয়ের আড়ালে লুকিয়ে যায় মনের যন্ত্রণা চোখের জল। দর্শকদের বিনোদন জগতে তারা নিজেদের প্রাণপাত করে। এমন একটি ঘটনা ঘটেছে জনপ্রিয় এক অভিনেতার (Jimmy Kimmel) জীবনে। যার ছবিতে বক্স অফিস একেবারে ফুলে ফেঁপে ওঠে।

দ্য বস বেবি, ড্যাডস, টেড ২- এর মতো ছবিতে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছেন। তিনি আর কেউ নন হলিউডের ফেমাস স্টার জিমি কিমেল (Jimmy Kimmel)। ‌ সাত বছরের সন্তান বিলের জীবনযন্ত্রণার কথা এবার ভাগ করে নিলেন অভিনেতা (Jimmy Kimmel)। তৃতীয় বার ওপেন হার্ট সার্জারি হয়েছে। অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে বলে জানিয়েছেন‌ দ্য বস বেবি খ্যাত অভিনেতা জিমি কিমেল। ‌’মেমোরেবল ডে’ নামক শোয়ে এসে ছেলের অস্ত্রোপচারের বিষয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেতা।

‘লস অ্যাঞ্জেলস চিল্ডরেনস হাসপাতালে অভিনেতার ছেলে ভর্তি ছিলেন। ওই হাসপাতালের মেডিকেল টিম তারকা সন্তানের ওপেন হার্ট সার্জারি করে সফল হয়েছেন। নিজের শ্বশুর মিডিয়া হ্যান্ডেল ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন জিমি (Jimmy Kimmel)। পোস্টে নিজের ছেলের হাসিমুখের ছবি পোস্ট করেছেন। ‌ সঙ্গে লিখেছেন, ‘আমরা অনেক আশা নিয়ে সেখানে গিয়েছিলাম। একইসঙ্গে প্রচণ্ড ভয়ও পেয়েছিলাম। অবশেষে সুস্থ অবস্থায় ছেলেকে নিয়ে যেতে পারছি।’ চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ার ওই পোস্টে। সাত বছরের শিশুকে সুস্থ করে তোলার জন্য চিকিৎসকদের অবদানকে কুর্নিশ জানিয়েছেন অভিনেতা।

নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলের পোস্টে তিনি (Jimmy Kimmel) লেখেন, ‘এই হাসপাতালে আসার একটা ভালো অভিজ্ঞতা হল। যাঁরা ওই হাসপাতালে সন্তানকে নিয়ে এসেছিলেন তাঁদের সঙ্গে দেখা হয়েছে। যে সকল শিশুরা যন্ত্রণায় রয়েছে তাদের সঙ্গেও দেখা হল। হাসপাতালে যাঁরা ভগবানের মতো বাচ্চাদের প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করছেন তাঁদের সঙ্গে দেখা হয়ে একটা অদ্ভুত অনুভূতি হয়েছে’। সাত বছরের ছেলেকে সুস্থ করার জন্য অভিনেতা স্ত্রী অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন নিজের সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। তাই তাকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন অভিনেতা। ‌

সন্তানকে সুস্থ করাতে স্ত্রীয়ের অবদান প্রসঙ্গে জিমি কিমেল (Jimmy Kimmel) লেখেন, ‘আমার স্ত্রী মলিকে ধন্যবাদ। কারণ তিনি যে কোনও মায়ের থেকে অনেক বেশি সাহসী ও শক্তিশালী। আমার সাত বছরের সন্তান বিলি তো সবচয়ে বেশি শক্তিশালী সেটা আমরা জানি। একে অপরের প্রতি যত্ন নেওয়া বা খেয়ালা রাখাটাই হল মজবুত সম্পর্কের আসল চাবিকাঠি।’ উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে যিনি সন্তানের দ্বিতীয় বার ওপেন হার্ট সার্জারি হয়। এটাই ছিল তার শেষ অস্ত্রোপচার। জিমি কিমেলের নয় বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। প্রথম পক্ষেরও এক পুত্র ও কন্যা সন্তান রয়েছে।

RELATED Articles