এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam Case) পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) গ্রেফতারির পর এমনিতেই রাজ্যের শাসক দলের উপর চাপ খানিকটা বেড়েছে বলাই যায়। এমন আবহে এবার এই বিতর্কের মধ্যেই এক বড়সড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। একটি বা দুটি নয়, একসঙ্গে ৭টি নতুন জেলা (new districts) ঘোষণা করেছেন তিনি। আর এই নিয়ে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে কার্যত হুঁশিয়ারি শানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
গতকাল, সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান যে রাজ্যে নতুন ৭টি জেলা হবে। বহরমপুর, বসিরহাট, সুন্দরবন, বনগাঁ-সহ সাতটি নতুন জেলার নাম ঘোষণা করেন তিনি। তিনি জানান যে প্রশাসনিক কাজে সুবিধার জন্যই এই সিদ্ধান্ত। তবে সরকারের এই ঘোষণাকে মোটেই ভালোভাবে নেয় নি বিরোধী পক্ষ।
আজ, মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্’র সঙ্গে বৈঠকের জন্য দিল্লি যাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন সুকান্ত মজুমদারও। দিল্লি যাওয়ার আগে গতকাল, সোমবার জেলাভাগ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “বাংলার নাম বঙ্গ করা সম্ভব হয়নি। একইসঙ্গে বিধান পরিষদ এবং মুখ্যমন্ত্রীর আচার্য হওয়ার স্বপ্ন বাস্তব রূপ নেয়নি। বর্তমানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই স্বপ্নও সফল হবে না”। কোনও রাজ্যে জেলা ভাগ করার সঙ্গে কেন্দ্রের অনুমোদনের প্রয়োজন পড়ে না। তবে ওয়াকিবহাল মহলের মতে, শুভেন্দু এহেন মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।
এই বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী আইপিএস এবং আইএএসদের রেখে দেওয়ার জন্যই এহেন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন”। বলে রাখি, এই মুহুর্তে কেন্দ্রে ডেপুটেশন পদে ৮৮ জন আইপিএস ও আইএএস থাকা উচিত। কিন্তু সেই জায়গায় সেই সংখ্যা হল মাত্র ১১।
রাজ্য সরকার দাবী করছে যে জেলা সংখ্যা যদি বাড়ানো হয়, তাহলে প্রশাসনিকভাবে নানান স্তরে উন্নয়ন করা সম্ভব হবে। যদিও এই বিষয়ে শুভেন্দুর দাবী, “এর আগেও বাংলায় একাধিক জেলা ভাঙা হয়েছিল। তবে সেক্ষেত্রে প্রশাসনিক দিক থেকে কোনরকম পরিকাঠামো তৈরি করা সম্ভব হয়নি। এবারেও মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্ন সফল হবে না”।






