আগামী বছরই রয়েছে হাইভোল্টেজ লোকসভা নির্বাচন। তা নিয়ে সমস্ত রাজনৈতিক দল প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরই মধ্যে কিছুদিন আগেই এক সাক্ষাৎকারে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন বলেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা রাখেন। তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে হইচই পড়ে যায়। তৃণমূল এই মন্তব্যকে সমর্থন করলেও বিরোধিতা জানায় বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস। এবার এই প্রসঙ্গে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদকে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
আজ, বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা ২ নম্বর ব্লকের বাসুদেবপুরের শ্যামহরিবাড় গ্রামের বাসুলিহাট বাজার লাগোয়া মাঠে একটি দলীয় কর্মসূচি ছিল বিজেপির। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে তীব্র আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন বিরোধী দলনেতা বলেন, “কোভিডের সময় কোথায় ছিলেন? ভোট পরবর্তী হিংসার সময় কোথায় ছিলেন? ২০১৯ সালের ভোটের আগে বলেছিলেন মোদীজি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন। অমর্ত্যবাবু ভোটের দেড় বছর আগে যখন পূর্বাভাস দিয়েছেন। তখন বোঝাই যাচ্ছে মোদীজির আরও আসন আসবে”।
সিএএ নিয়ে নিজের মত প্রকাশ করেছিলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ। সেই প্রসঙ্গ টেনেও অমর্ত্য সেনকে খোঁচা দিয়েছেন শুভেন্দু। বলেন, “রাজনৈতিক নেতার মত বক্তব্য রাখতেন। তাঁর গোপন কোনও অ্যাজেন্ডা রয়েছে। তাই একথা বলছেন। এটা পক্ষপাতদুষ্ট বক্তব্য। এই কথার সঙ্গে অর্থনীতি বা শিক্ষার কোনও সম্পর্ক আছে বলে আমার মনে হয় না। উনি বিদেশে থাকুন। সাবধানে থাকুন। পরামর্শ দিতে হলে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার বা ইউক্রেনের জেলেনস্কিকে দিন”।
বিরোধী দলনেতার এহেন মন্তব্যের সমালোচনা করা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “আমার মনে হয় অমর্ত্য সেনকে খুব সাবধানে থাকতে হবে। দিল্লি বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করতে পারে সাকেতের মতো। অথবা অমিত শাহকে বলতে পারেন অর্মত্য সেনের বাড়িতে সিবিআই, ইডি পাঠাতে হবে। সীমান্ত এলাকায় গেলে বিএসএফ দিয়ে গ্রেপ্তার করাতে পারে”।





