ভোটের আবহে রাজ্যের রাজনীতি এমনিতেই তপ্ত। তার মধ্যেই একের পর এক অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ ঘিরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছে, নির্বাচনের আগে এই ধরনের বিস্ফোরক দাবি ভোটের পরিবেশে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তবে ঠিক কী অভিযোগ উঠল, তা নিয়েই এখন চর্চা তুঙ্গে।
এই আবহেই নির্বাচন কমিশনের দফতরে পৌঁছালেন বিরোধী শিবিরের শীর্ষ নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দুর দাবি, তাঁদের ফোনে নজরদারি চালানো হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ফোনের লোকেশন পর্যন্ত ট্র্যাক করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই বিষয়ে তিনি সরাসরি কয়েকজন উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকের নামও উল্লেখ করেন।
শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, রাজ্যের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা এবং নিরাপত্তা বিভাগের কিছু অংশ নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নষ্ট করছে। তাঁর দাবি, তাঁদের কাছে এই অভিযোগের পক্ষে কিছু তথ্যপ্রমাণও রয়েছে। সেই কারণেই বিষয়টি তিনি নির্বাচন কমিশনের নজরে এনেছেন। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, কমিশনের নির্দেশ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর হচ্ছে না, যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
এখানেই শেষ নয়, একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, সম্প্রতি একটি নির্বাচনী ভাষণে এমন কিছু মন্তব্য করা হয়েছে, যা নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী। তিনি জানান, ওই ভাষণের ভিডিও ক্লিপ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য পেনড্রাইভে করে কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ওই বক্তব্যে সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করার ইঙ্গিত রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ টেলিপাড়ায় ফের শোকের ছায়া! রাহুলের মৃ’ত্যুর ধাক্কা কাটতে না কাটতেই, মাত্র ৩৩-এ তরুণ অভিনেতার অকাল মৃ’ত্যু! এমন পরিণতির কারণ কী?
সব মিলিয়ে, ফোন নজরদারি থেকে শুরু করে নির্বাচনী ভাষণ একাধিক ইস্যুতে সরাসরি নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিরোধী শিবির। এখন নজর কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। এই অভিযোগগুলির ভিত্তিতে আদৌ কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সেটাই এখন দেখার।





