বঙ্গ রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে বিতর্কময় অধ্যায় চলছে। তৃণমূলের অন্যতম শক্তিশালী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক প্রায় শেষের মুখে। সেখানেই আশঙ্কা উঁকি দিচ্ছে তাঁর বিজেপিতে যোগ দানের।
তবে এখনও পর্যন্ত শুভেন্দুর তৃণমূলে থাকা না থাকার বিষয়টির ফয়সলা হয়নি। সমঝোতার লক্ষ্যে দলের সঙ্গে আলোচনাও বারংবার ব্যর্থ হয়েছে। একাধিক তৃণমূলীয় নেতা শুভেন্দুকে কটাক্ষ করেছেন। তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্বে বেড়েছে শত্রুর সংখ্যাও।
এর মধ্যেই গুরুতর অভিযোগ তুললেন শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল সম্পাদক কনিষ্ক পণ্ডা।
তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে খবর আছে, শুভেন্দু অধিকারীকে খুন করার চক্রান্ত চলছে। জরুরি ভিত্তিতে তাঁর নিরাপত্তার প্রয়োজন। তাঁর নিরাপত্তার দাবিতে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কাছে যাবেন শুভেন্দু(দাদার) অনুগামীদের একাংশ।’
তিনি নিজের বক্তব্য স্পষ্ট করে জানান, শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তা প্রসঙ্গে মঙ্গলবার এক কোর কমিটির বৈঠকে বসছেন তাঁর অনুগামীরা। কবে রাজ্যপালের সঙ্গে আলোচনার জন্য সময় চাওয়া হবে সেই সিদ্ধান্ত এই বৈঠকেই নেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, শুভেন্দুকে সরকারি নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য আবেদন জানানো হবে রাজ্যপালের কাছে। একই সঙ্গে তাঁকে বর্তমান পরিস্থিতির ব্যাপারেও অবগত করা হবে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করার আগেই ‘জেড’ ক্যাটেগরি নিরাপত্তা তিনি পরিত্যাগ করেছিলেন। নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার জন্য, রাজ্য সরকার ও পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এতদিন ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীর পাশাপাশি কনভয়ে টেল কার, পাইলট কার এবং এসকর্ট কার পেতেন। মন্ত্রিত্ব ত্যাগের আগেই সেগুলিও তিনি প্রত্যাহার করেন।





