বাংলায় আর মাত্র পাঁচ ছ’মাস হাতে আছে বিধানসভা নির্বাচনের। এরই মাঝে শক্তি ঝালিয়ে নিতে হবে শাসক-বিরোধী সব শিবিরকেই। তবে ভোটের ঠিক আগে আগে তৃণমূলী রাজনীতিতে বেশ কিছুটা জট পেকেছে। রাজ্যের শাসক হিসেবে তৃণমূলের সঙ্গে পূর্ব সদ্ভাব আর নেই রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর।
আর আজ নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠকেও গরহাজির থাকলেন তিনি। তবে শুধুু শুভেন্দুই নন বৈঠক এড়িয়েছেন আরো তিনজন মন্ত্রী। তার মধ্যে দু’জন অনুপস্থিত থাকার কারণ জানাননি। আজ অর্থাৎ বুধবার নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠকে গরহাজির ছিলেন ৪ মন্ত্রী। শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, গৌতম দেব ও রবীন্দ্রনাথ ঘোষ ছিলেন না।
যথাক্রমে, গৌতম দেব করোনায় আক্রান্ত। শারীরিক অসুস্থতার কারণে আসতে পারেননি বলে জানিয়েছেন রবীন্দ্রনাথবাবু। তবে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Rajib Bandopadhyay) বৈঠকে না আসা নিয়ে ফের তৈরি হয়েছে জল্পনা।
শুভেন্দুর মন বোঝা এখন বড় দায় হয়ে পড়েছে শাসকের। আর শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ হাওড়ার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। দু’জনেই অনুপস্থিতির কারণ জানাননি বলে খবর। বেশ কয়েক দিন ধরে শুভেন্দু অধিকারীর অবস্থা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। দলনেত্রীর নামটুকুও কোথাও নিচ্ছেন না। অরাজনৈতিক মঞ্চে সভা করছেন। গতকাল,মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের সভা থেকে বিস্ফোরক ভাষণ দেন শুভেন্দু। বলেন,”১৩ বছর পর নন্দীগ্রামের কথা মনে পড়ল! এই সভা এখানে নতুন নয়।” ‘ভারত মাতা জিন্দাবাদ’ শোনা যায় তাঁর মুখে। যা নিয়ে বঙ্গ রাজনীতি বর্তমানে তোলপাড়।
তাৎপর্যপূর্ণভাবে বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ দিনের বৈঠকে হাজির ছিলেন না। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, অরূপ রায় ও লক্ষ্মীরতন শুক্লাকে নিয়ে দিন কয়েক আগে বৈঠকে বসেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রশান্ত কিশোর। এই তিন নেতার মধ্যকার মনকষাকষি মেটানোই ছিল প্রধান লক্ষ্য। তারপরও আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে রাজীবের গরহাজির নিয়ে সন্দেহ বাড়ছে।






