রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরকে ঘিরে আজ সকাল থেকেই উত্তেজনার ছায়া নেমে আসে। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সোমবার দুপুরে সিইও অফিসে উপস্থিত হন। তবে তাঁদের আগমনের আগেই সেখানে ‘বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটি’ নামের একটি সংগঠনের সদস্যরা বিক্ষোভ শুরু করেছিল। এই দুই পক্ষের টক্কর আজ পরিস্থিতি নাটকীয় করে তোলে।
শুভেন্দুর দল ও বিজেপির প্রতিনিধিদল সিইও মনোজকুমার আগরওয়ালের সঙ্গে বৈঠক করতে সংগ্রহ করে যখন, তখন তাঁদের সামনে ব্যারিকেড দিয়ে এলাকা ঘিরে রাখা হয়। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা ওই ব্যারিকেড ভেঙে প্রবেশ করার চেষ্টা করে। ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিয়ে তাঁরা শুভেন্দুর উপস্থিতির প্রতিবাদ জানায়। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হতে থাকে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে গলা তোলাটা শুরু হয়।
বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটির দাবি, তাঁরা সিইও দফতরের ভিতরে স্মারকলিপি জমা দিতে চান। কিন্তু তাঁদের প্রবেশ বাধাগ্রস্ত হয়। অন্যদিকে শুভেন্দুরা দফতরের ভিতরে পৌঁছে কমিশনের কাছে একটি দাবিপত্র পেশ করেন। সেখানে তিনি নির্বাচনী আয়োজনে সংশ্লিষ্ট একাধিক বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, “সুপার টাইমার আইএএস অফিসরদের বাদ দেওয়া উচিত। ইআরওদের এসডিও রংক না থাকলে তাদেরও বাদ দেওয়া হোক। এছাড়া অনেকে বাংলাদেশি মুসলিমদের নাম ভোট তালিকায় রয়েছে।”
শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, “আমি পাঁচ হাজার বিএলও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলাম, কিন্তু দু’মাস হয়ে গেল কমিশন থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাইনি।” পাশাপাশি তিনি আই প্যাকের কার্যক্রম নিয়েও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেন। সিইও-র কাছে এসব দাবিদাওয়ার বিষয় তুলে ধরে শুভেন্দু এবং তার দল সিদ্ধান্তমূলক ব্যবস্থা আশা করেন।
আরও পড়ুনঃ Heart Attack: দেখতে সুস্থ, কিন্তু ভিতরে ভেতরে ভেঙে পড়ছে হৃদ্পিণ্ড! দ্রুত বাড়ছে হার্টের বয়স—ঠিক কোন অভ্যাসগুলি আপনাকে বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে?
পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে থাকলেও দফতরের বাইরে উত্তেজনা কমেনি। দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে স্লোগান ও প্রতিবাদ অব্যাহত থাকে। আজকের এই পরিস্থিতি রাজ্যের নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, যা মুহূর্তে সারা রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক আলোচনা তীব্র করছে।






